মীন উন্নয়ন নিগমের নিয়োগ কেলেঙ্কারি: বিধায়ক রমাকান্ত দেউরীর বাড়িতে সিআইডির অভিযান

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ৮ জুন : অসম মীন উন্নয়ন নিগমের নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বিধায়ক রমাকান্ত দেউরীর মরিগাঁওস্থিত বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। রবিবার গভীর রাতে সিআইডির একটি দল তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। পাশাপাশি তাঁকে সিআইডি কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সমনও জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মীন উন্নয়ন নিগমের নিয়োগ কেলেঙ্কারির অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে রমাকান্ত দেউরীর নাম উঠে এসেছে। এর আগে এই মামলায় দুইজন এ.সি.এস. আধিকারিককে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি। গ্রেপ্তার হওয়া দুই আধিকারিক হলেন নরেন চন্দ্র বসুমতাৰী এবং অনুরাধা অধিকাৰী শৰ্মা। সিআইডি থানার ১৭/২০২২ নম্বর মামলার ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, নরেন চন্দ্র বসুমতাৰী ও অনুরাধা অধিকাৰী শৰ্মা অসম মীন উন্নয়ন নিগমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন সময়েই ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই একাধিক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হয়। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, গত ২ জুন অসম মীন উন্নয়ন নিগমের কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে অনুসূচীত জাতি যুব ছাত্র পরিষদ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে নিগমের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকা বিধায়ক রমাকান্ত দেউরীকেও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনটির অভিযোগ ছিল, মীন উন্নয়ন নিগমের সমগ্র কেলেঙ্কারির সঙ্গে রমাকান্ত দেউরী প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁদের দাবি, তাঁর সভাপতিত্বকালেই নীতিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি বিধায়কের দুই কন্যাকেও নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনের আরও দাবি, ৫৫ জন প্রার্থীকে কোনও লিখিত পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা সরকারি নিয়োগ নীতির পরিপন্থী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *