১২ অক্টোবর : সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু করে রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইরান। এ কথা জানিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তাঁর মতে, রাজনৈতিক সমাধানের পথ এড়িয়ে সামরিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন আরাগচি। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রবিবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় আরাগচি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কোনও সামরিক সমাধান নেই। তাঁর মতে, সংঘাত নিরসনে রাজনৈতিক উদ্যোগ এবং আলোচনার পথকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সামরিক পদক্ষেপের ওপর জোর দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
আরাগচি আরও জানান, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু করা এবং একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যেকোনও সহযোগিতা দিতে ইরান প্রস্তুত রয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহেও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধসংক্রান্ত প্রসঙ্গে সামরিক সমাধানের বিরোধিতা করেছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে আলোচনা ছাড়া সংঘাতের অবসান সম্ভব নয়।

এদিকে, সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার পর ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, ইরানে ফের হামলা চালানো হবে কি না, তা-ও বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
আঞ্চলিক উত্তেজনার এই পরিস্থিতিতে ইরানের পক্ষ থেকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে।



