আশু চৌধুরী, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ১৪ জুন : ভগাবাজরের পঞ্চায়েত কাপের শিরোপা অর্জন করল আঞ্জুমা এন্টারপ্রাইজ। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাং ম্যাচে ১-০ গোলে বাপ্পন এফসি-কে পরাজিত করে খেতাব দখল করে। রবিবার রাজঘাট রাজীব গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্স খেলার মাঠে এক রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপভোগ করলেন দর্শকরা। টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের ২৫ মিনিটে ক্যাস্প্রো জোয়ালা গোল করে এগিয়ে যায় আঞ্জুমা এন্টারপ্রাইজ। সমতায় ফিরতে বাপ্পন এফসি মরিয়া হয়ে উঠলেও সফল হয়নি। একইভাবে আঞ্জুমা এন্টারপ্রাইজও গোলের সংখ্যা বাড়াতে পারেনি। দু’টি দল বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও ব্যর্থ হয়। ক্যাস্প্রোর গোলই নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাচ শেষে চ্য়াম্পিয় ও রানার্স দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। ফাইনাল ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় পুরস্কার পান ক্যাস্প্রো।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় পুরস্কার বাপ্পন এফসির বিন্দা রিয়াং। এমাজিং প্লেয়ার পুরস্কার পান আঞ্জুমা এফসির মারলো। সেরা ডিফেন্ডার আঞ্জুমা এফসির সাফিয়া, সেরা গোল কিপার আঞ্জুমা এফসির অঞ্জু তন্তুবাঈ, সর্বোচ্চ গোলদাতা আঞ্জুমা এফসির ননতে, সেরা মিডফিল্ডার বাপ্পন এফসির ইমানুয়েল তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ১৪৭ সিআরপিএফের অ্য়াসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট আরবি গৌতম, আমন্ত্রিত অতিথি সোনাই মাধবচন্দ্র দাস কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সাবির আহমদ চৌধুরী, বাম বিদ্যাপীঠ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের অধ্যক্ষ সামসুল হক বড়ভূইয়া, ধলাই মাতৃভূমি সামাজিক সংস্থার সভাপতি সিতাংশু দাস, ধলাই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এসডিএমও এম. দেউরি, ভাগাবাজার জিপি সভানেত্রী সাহেলা পারভিন, প্রাক্তন এপি সভাপতি আব্দুল বারি লস্কর, ধলাইয়ের বিধায়কের প্রতিনিধি অচিন্তকুমার দাস, বিভূতিভুষন শীল, যিশু দে, সাহিদ আহমদ চৌধুরী, নিবুল বড়ভুইয়া প্রমুখ।

এদিকে, চ্যাম্পিয়ন দল আঞ্জুমা এন্টারপ্রাইজের খেলোয়াড়দের হাতে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক সহ আকর্ষণীয় ট্রফি তুলে দেন অতিথিগণ। এছাড়া রানার্সআপ দল বাপ্পন এফসির হাতে নগদ কুড়ি হাজার টাকা সহ আকর্ষণীয় ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা। উল্লেখ্য, ফাইনাল ম্যাচের আগে বিভিন্ন ভাষাবাসী জনগোষ্ঠীর শিল্পীদের দ্বারা ধামাইল নৃত্য, ডিমাসা নৃত্য, রিয়াং নৃত্য সহ বিভিন্ন সংগীত পরিবেশন করেন শিশু শিল্পীরা। পরে এনসিসি ক্যাডারদের গার্ড ওফ ওনারের মাধ্যমে খেলোয়াড় সহ অতিথিগণকে মাঠে পৌঁছানো হয়। এদিন ম্যাচ পরিচালনা করেন শামিম আহমদ বড়ভূইয়া, জাফর বড়ভূইয়া, সেলিম উদ্দিন লস্কর ও রাজীব লস্কর।



