।। এসএম জাহির আব্বাস ।।
(শ্রীভূমি)
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। দ্রুতগতির আক্রমণে ইংল্যান্ড প্রথমে এগিয়ে গেলে কিছু সময়ের জন্য চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। তবে অভিজ্ঞ মেসির নেতৃত্বে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।
মাঝমাঠে মেসির নিখুঁত পাস, বল নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণ তৈরির দক্ষতা বারবার ইংল্যান্ডের রক্ষণকে বিপাকে ফেলে। ধারাবাহিক আক্রমণের ফল হিসেবে আসে সমতাসূচক গোল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় ম্যাচ দীর্ঘ সময় সমতায় থাকে। ম্যাচের শেষ দিকে মেসির অসাধারণ আক্রমণ নির্মাণ থেকেই আসে জয়সূচক গোল। এরপর শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা। ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালে জায়গা করে নেয় দলটি।
এই জয় শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়; এটি ছিল ধৈর্য, নেতৃত্ব ও দলগত শক্তির প্রতীক। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড লড়াকু পারফরম্যান্স উপহার দিলেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় বিদায় নিতে হয় তাদের।
এখন ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি ফাইনালের দিকে। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে কি না, তার উত্তর মিলবে শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে।



