১৩ মে : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘স্বদেশি’ ও দেশীয় পর্যটনকে উৎসাহ দেওয়ার বার্তার মধ্যেই আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবায় বড়সড় কাটছাঁটের ঘোষণা করল Air India। ফলে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে অন্তত এক বছরের জন্য বিদেশ ভ্রমণ কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে পর্যটনে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তারই রেশ কাটতে না কাটতেই এয়ার ইন্ডিয়া ঘোষণা করেছে, আগামী তিন মাস অর্থাৎ অগাস্ট পর্যন্ত অন্তত ৭টি আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।
সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, শিকাগো ও নিউ ইয়র্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন শহরে আপাতত উড়ান বন্ধ থাকছে। পাশাপাশি ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক জনপ্রিয় রুটেও বড়সড় কাটছাঁট করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর, ব্যাঙ্কক, ঢাকা, কাঠমাণ্ডু এবং কলম্বোগামী ফ্লাইটের সংখ্যাও কমানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে অন্তত ২২টি আন্তর্জাতিক উড়ানের পরিষেবা হ্রাস করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান জ্বালানির উপর। এর ফলেই বাড়ছে বিমান সংস্থাগুলির পরিচালন ব্যয়। এর আগেই এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছিল, প্রতিদিন প্রায় ১০০টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কমানো হবে। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় বুধবার ফের আন্তর্জাতিক রুটে কাটছাঁটের ঘোষণা করে সংস্থা। এয়ার ইন্ডিয়ার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বেশ কয়েকটি অঞ্চলে এখনও আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি জেট ফুয়েলের মূল্যও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই কারণেই পরিষেবা কমাতে বাধ্য হচ্ছে সংস্থা।”



