৯ মে : বনগাঁ বাটার মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে বড় বড় স্ট্যাচু রয়েছে। নীল বিদ্রোহের কাহিনী অবলম্বনে সেই ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল। সেই স্ট্যাচুগুলি বসানোর পর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সেগুলি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছিলেন। বিতর্ক চলছিল সেগুলি নিয়ে। শনিবার বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতেই সেই মূর্তি গুড়িয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বক্তব্য বনগাঁ পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করেই এই ভাস্কর্যগুলি সেখানে তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ ২০১৮ সালের বাগদার আমডোব গ্রামের পঞ্চায়েত ভোটের হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে ‘আমডোবের’ স্মৃতি বলত। সম্প্রতি বনগাঁ পৌরসভার চেয়ারম্যান বদল হলেও ব্যবসায়ীরা তাঁর কাছে ওই ভাস্কর্যগুলি সরিয়ে নেয়ার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছিলেন।
এদিন সাধারণ মানুষ ওই ভাস্কর্যগুলি ভেঙে দেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য কে বা কার ভেঙেছেন তাঁরা তা বলতে পারবেন না। তবে, সাধারণ মানুষ পথ চলতি মানুষের অনেক সুবিধা হল ।
স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা উপেক্ষা করেই জোর করে এই ভাস্কর্য ওখানে বসানো হয়েছিল। ফলে যানজটে নাকাল হতো এলাকার মানুষ। দিনের বেলায় চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হত।
প্রসঙ্গত, শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রথমবারের মতো বাংলায় শপথ নিয়েছে বিজেপির সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও আরও পাঁচ মন্ত্রী এদিন শপথ নিয়েছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে দু’জন এবং দক্ষিণবঙ্গ থেকে তিন জনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যেমন আদিবাসী মুখ রয়েছেন, তেমন মতুয়া, রাজবংশী এলাকার বিধায়কও আছেন। শুভেন্দুর পাঁচ মন্ত্রী হলেন— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু।



