৪ জুলাই : উত্তরপ্রদেশের আগরায় এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার ৪৫ দিন পর নিজ বাড়ির বাথরুমের মেঝের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সুরেন্দ্রকুমার শর্মা নামে এক ব্যক্তির দেহাবশেষ। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী রুবিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগরার সিকন্দরা থানা এলাকার প্রাচী টাওয়ার চৌকি এলাকার বাসিন্দা সুরেন্দ্রকুমার শর্মা গত ১৮ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর স্ত্রী রুবি দাবি করেছিলেন, সুরেন্দ্র কয়েক দিনের জন্য বাইরে গিয়েছেন এবং শিগগিরই ফিরে আসবেন। তিনি এ বিষয়ে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরিও করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি থাকায় সুরেন্দ্রের পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয় এবং তারা পুলিশকে বিষয়টি জানান।
এরপর তদন্তের অংশ হিসেবে রুবিকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তদন্তকারীরা তাঁর গতিবিধির ওপরও নজরদারি চালান। শুক্রবার সুরেন্দ্রের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় বাথরুমের মেঝেতে নতুন করে বসানো টাইলস দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। পরে মেঝে খুঁড়ে সেখান থেকে সুরেন্দ্রের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে রুবি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁর বক্তব্য, সুরেন্দ্র কোনো কাজ করতেন না এবং নিয়মিত মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। দীর্ঘদিনের সেই নির্যাতনের জেরে গত ১৮ মে স্বামীকে হত্যা করেন তিনি। পরে অপরাধের প্রমাণ গোপন করতে বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে দেহ পুঁতে রেখে সেখানে নতুন করে টাইলস বসিয়ে দেন। পুলিশ জানিয়েছে, সুরেন্দ্রের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রুবির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার অন্যান্য দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রয়োজনে এটি আরও সংক্ষিপ্ত বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি।



