২ মার্চ : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের সমর্থিত হামলার জবাবে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর প্রেক্ষিতে সৌদি আরবসহ জিসিসির ছয়টি দেশ ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। রবিবার জিসিসির ৫০তম অসাধারণ মন্ত্রিপরিষদের ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। তারা ইরানের হামলাকে “বিশ্বাসঘাতকতামূলক” ও “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন” হিসেবে নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জিসিসি সদস্য দেশগুলোর বেসামরিক স্থাপনা, আবাসিক এলাকা ও পরিষেবা স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে, যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও নাগরিকদের জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি করেছে। এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও ভালো প্রতিবেশী সম্পর্কের নীতি লঙ্ঘন করেছে।
জিসিসি দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য; একটি দেশের ওপর হামলা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে; প্রয়োজনে একক বা যৌথভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যার মধ্যে হামলার জবাব দেওয়ার অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।
ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।




