বিশ্বজিৎ আচার্য, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ১০ অক্টোবর : মহালয়ার পুণ্যলগ্নে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা হলো দেবীপক্ষের। চণ্ডীপাঠের পবিত্র ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ। পূর্বপুরুষদের সদ্গতি কামনায় তর্পণের পাশাপাশি শুরু হলো শক্তিরূপিণী মা দুর্গার আরাধনার প্রতীক্ষা। মহালয়ার এই শুভ প্রভাতে শারদীয় উৎসবের আগমনী বার্তায় উৎসবমুখর হয়ে উঠল শিলচর শহরসহ বরাক উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্ত। বরাকের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপ্রতিমা নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিল্পীরা মা দুর্গা ও তাঁর পরিবারের প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে ব্যস্ত। আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, তারপরই শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে মেতে উঠবে গোটা রাজ্য।
মহালয়ার ভোর থেকেই শিলচর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ব্যাপক সমাগম পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে শহরের সদরঘাটের দুই সেতুতে সকাল থেকেই ভিড় জমে। একই চিত্র দেখা যায় অন্নপূর্ণা ঘাটের বরাক সেতুতেও। মহালয়ার বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ভোর থেকেই সেতুগুলিতে ভিড় করেন কচিকাঁচা থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী ও প্রবীণ নাগরিকেরা। তাঁদের উপস্থিতিতে গোটা এলাকায় সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশের।

মহালয়ার ভোর থেকেই শিলচর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ব্যাপক সমাগম পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে শহরের সদরঘাটের দুই সেতুতে সকাল থেকেই ভিড় জমে। একই চিত্র দেখা যায় অন্নপূর্ণা ঘাটের বরাক সেতুতেও। মহালয়ার বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ভোর থেকেই সেতুগুলিতে ভিড় করেন কচিকাঁচা থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী ও প্রবীণ নাগরিকেরা। তাঁদের উপস্থিতিতে গোটা এলাকায় সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশের।
ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে চণ্ডীপাঠের পবিত্র ধ্বনি চারদিকে ছড়িয়ে পড়তেই শিলচর শহরে অনুভূত হয় দুর্গোৎসবের আগমনী আবহ। দেবীপক্ষের সূচনাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি শারদীয় উৎসবকে স্বাগত জানানোর আনন্দও ধরা পড়ে শহরবাসীর মধ্যে।

এদিকে, বিভিন্ন দুর্গাপুজো কমিটির কর্মকর্তারাও শোভাযাত্রার মাধ্যমে শারদীয় উৎসবের আগাম শুভেচ্ছা জানান। মহালয়ার এই শুভক্ষণে তাঁদের উদ্যোগে উৎসবের আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে মহালয়ার পুণ্য প্রভাতে শিলচর শহরসহ বরাক উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় উৎসবের আমেজ। পিতৃপক্ষের বিদায় ও দেবীপক্ষের সূচনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রত্যাশায় মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা বরাক উপত্যকা।



