আব্দুল হক, সোনাই।
বরাক তরঙ্গ, ২২ সেপ্টেম্বর: সাতকরাকান্দি হাইস্কুল পরিচালন কমিটি গঠন নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার নির্বাচিত সদস্যরা সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। সভায় নবগঠিত স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি হোসেন রাজা লস্কর বলেন, ১০ সেপ্টেম্বর স্কুলে অভিভাবকদের নিয়ে সাধারণ সভায় শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ১৮ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সরকারি নির্দেশমতে ১৮ সদস্যের মধ্য থেকে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করার কথা। তাই নির্বাচিত ১৮ সদস্যের উপস্থিতিতে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী অধিকাংশ সদস্য সভাপতি নির্বাচন করেছিলেন। এরপর অধিকাংশ সদস্যের সমর্থনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ স্কুল পরিচালন কমিটি গঠন হওয়ার পরও কতিপয় ব্যক্তি নানা অপপ্রচার চালানোসহ জেলা কমিশনারের কাছে স্মারকপত্র দিয়ে কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানানো হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন। নবগঠিত কমিটির সহ-সভানেত্রী আনছারা বেগম বড়ভূইয়া বলেন, নিঃস্বার্থে স্কুল পরিচালন কমিটি গঠনে দশ সদস্য প্রকাশ্যভাবে সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচিত করেন। কিন্তু কারও স্বার্থে আঘাত পড়ায় নানা মিথ্যা দুর্নাম ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান সাতকরাকান্দি জিপির এপি সদস্যা তথা বাঁশকান্দি ব্লক আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সভানেত্রীর প্রতিনিধি সামছুল ইসলাম বড়ভূইয়া। তিনি বলেন, অধিকাংশ সদস্য সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচিত করার পরও কতিপয় লোক নির্লজ্জভাবে জেলা কমিশনারের দ্বারস্থ হওয়া হাস্যকর। তিনি বলেন, ১৮ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র সাতজন সদস্য গোপন ব্যালটে কমিটি গঠনের দাবি বিষয়ে বিবেচনা করা সহ অপপ্রচারকারীদের প্রতি জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি জেলা কমিশনার, পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ঐতিহ্যবাহী সাতকরাকান্দি হাইস্কুলকে ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা অপপ্রচারে লিপ্ত তারা সতর্ক না হলে প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন চালাবেন। তিনি এও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে অপপ্রচারকারীরা সতর্ক না হলে আইনের দ্বারস্থ হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
স্কুল কমিটির সদস্য জুলাস আহমদ বড়লস্কর বলেন, প্রকাশ্য সভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে থাকা অধিকাংশ সদস্য আজও একমত এবং ভবিষ্যতেও জোটবদ্ধভাবে স্কুলের স্বার্থে কাজ করবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।



