১৮ সেপ্টেম্বর : বিশ্বকর্মা পূজা বা বিশ্বকর্মা জয়ন্তী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। হিন্দু ঐতিহ্যে বিশ্বকর্মাকে দেবশিল্পী, স্থপতি ও নির্মাণকুশলতার প্রতীক হিসেবে সম্মান করা হয়। বিশেষ করে কলকারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারিগরি ও নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের মধ্যে এই পূজার প্রচলন বেশি।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশ্বকর্মা দেবতাদের বিভিন্ন স্থাপনা, নগরী, রথ ও অস্ত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মহাভারত ও পুরাণের বিভিন্ন কাহিনিতে তাঁর স্থাপত্য ও কারিগরি দক্ষতার উল্লেখ পাওয়া যায়। দ্বারকা নগরী, লঙ্কা, পাণ্ডবদের মায়াসভা এবং দেবতাদের বিভিন্ন অস্ত্র ও বাহন নির্মাণের কৃতিত্বও পৌরাণিক বর্ণনায় বিশ্বকর্মাকে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে তাঁকে দেবতাদের স্থপতি বা ‘দেবশিল্পী’ বলা হয়।
তিথি (ভাদ্র শুক্লপক্ষ) ষষ্ঠী সকাল ১০টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত।
অমৃতযোগ- রাত ১২টা ৪৩ মিনিট থেকে ৩ টে ৫ মিনিট পর্যন্ত।
মাহেন্দ্রযোগ- সকাল ৭টা ৪ মিনিটের মধ্যে, পুনরায় ১০টা ১৯ মিনিট থেকে ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে-
৩১ ভাদ্র, ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।
শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পুজো।
অমৃতযোগ- সকাল ৭টা ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে মধ্যে, পুনরায় ৭টা ৫২ মিনিট ৮ সেকেন্ড গতে ১০টা ১৮ মিনিটেক মধ্যে, পুনরায় দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড গতে ২টো ২১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় ৩টে ৫৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ড গতে ৫টা ৩৫ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট ১৪ সেকেন্ড গতে ৮টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত।
মাহেন্দ্রযোগ- রাত ১০টা ২২ মিনিট ৫২ সেকেন্ড গতে ১১টা ৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় রাত ৩টে ৫১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড গতে ৫টা ২৬ মিনিট ২৮ সেকেন্ড পর্যন্ত।



