মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১৫ আগস্ট : ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শেষে শ্রীভূমি আবর্ত ভবনে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য ও বরাক উপত্যকার উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী তথা পাথারকান্দির বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে জেলার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন তিনি।
সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, স্বাধীনতা দিবসের মতো বিশেষ দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাঁদের মাধ্যমে সমাজের ভালো-মন্দ বিভিন্ন চিত্র মানুষের সামনে উঠে আসে। তাঁরাই গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ।”
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া, রোদ-বৃষ্টি ও নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সাংবাদিকরা নিরন্তর তাঁদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সাধারণ মানুষের সমস্যা, এলাকার অভাব-অভিযোগ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র প্রশাসন ও সরকারের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, “রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাংবাদিক ভাই-বোনেরা অবিরত তাঁদের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁদের একনিষ্ঠ সেবা ও কঠোর পরিশ্রমকে আমি কুর্নিশ জানাই।” সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সময় পেলেই তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে সমাজ ও এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিক সমাজের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জনসাধারণের কণ্ঠস্বর হিসেবে সাংবাদিকরা প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধনের কাজ করেন। গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সাংবাদিকদের স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জেলার সমস্ত সাংবাদিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে সাংবাদিকদের অবদান সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বাধীনতা দিবসের বর্ণাঢ্য কর্মসূচির পর মন্ত্রীর এই সৌজন্যমূলক মতবিনিময় অনুষ্ঠান সাংবাদিক ও প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি জেলার জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার বার্তাও বহন করে।



