১৫ জুলাই : জলাতঙ্কের জন্যে দায়ী রেবিসের সংক্রমণ রুখতে ব্যবহৃত অত্যাবশ্যক ওষুধ অ্যান্টি-রেবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন। সেই ইনজেকশনের দাম এ বার বাড়ছে কেন্দ্রীয় অনুমোদনের পরে। ওই ইনজেকশনের সর্বোচ্চ দাম (সিলিং প্রাইস) সম্প্রতি সংশোধন করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)।
তাদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জিএসটি বাদে প্রতি মিলিলিটারের সর্বোচ্চ দাম ১১২.১৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৯.৪৮ টাকা করা হয়েছে। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ২ থেকে ৬ মিলিলিটার লাগে এই ইমিউনোগ্লোবিউলিন। ২০২৬–এর হোলসেল প্রাইস ইনডেক্সে ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ বৃদ্ধির কারণেই এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনপিপিএ।
কেন্দ্রের ডিপার্টমেন্ট অফ ফার্মাসিইউটিক্যালসের রিভিউ অর্ডারের ভিত্তিতে ২০১৩–র ড্রাগস প্রাইস কন্ট্রোল অর্ডার (ডিপিসিও)-এর আওতায় এই সংশোধিত মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। অ্যান্টি-রেবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন এমন একটি জীবনদায়ী ওষুধ, যা জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে রেবিস ভ্যাকসিনের সঙ্গে পোস্ট-এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস হিসেবে ব্যবহার করা হয় কুকুর–বিড়ালে কামড়ানো ক্ষতস্থানের আশপাশে।
এনপিপিএ-র সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে শুধু এই ইনজেকশনের দামই সংশোধন করা হয়নি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, হৃদরোগ, এইচআইভি-সহ বিভিন্ন অসুস্থতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৩৯টি ওষুধের খুচরো মূল্যও নির্ধারণ বা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, অত্যাবশ্যক ওষুধের সহজলভ্যতা বজায় রাখা এবং রোগীদের চিকিৎসার খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।



