৩০ জুন : এবারের বর্ধিত কলেবরের বিশ্বকাপে আফ্রিকান দেশগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে থেকে শুরু করে আফ্রিকার অন্যান্য প্রতিনিধিরাও গ্রুপ পর্বে চমক দেখিয়ে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে।
৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে রেকর্ড ১০টি আফ্রিকান দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শুধু তিউনিসিয়া বাদে বাকি ৯টি দলই নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাস গড়েছে। গ্রুপ পর্বে স্পেন, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ও ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলগুলোকেও আফ্রিকান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে।
আলজেরিয়ার তারকা ফুটবলার রিয়াদ মাহরেজ আফ্রিকান দলগুলোর এই সাফল্যকে বিশ্ব ফুটবলে মহাদেশটির অগ্রগতির প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর কথায়, “বিশ্বকাপের মতো আসরে ১০ দলের মধ্যে ৯টি দলের নকআউটে ওঠা নিঃসন্দেহে বিশেষ অর্জন এবং আফ্রিকান ফুটবলের মান যে অনেক উন্নত হয়েছে, সেটাই প্রমাণ করে।”
এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে কেপ ভার্দে, মূলত টুর্নামেন্টে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করার সিদ্ধান্তের ফলে। যদিও সমালোচকদের একাংশের দাবি, ফিফার এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল টুর্নামেন্ট থেকে আরও বেশি আর্থিক আয় নিশ্চিত করা।
মাত্র পাঁচ লাখের কিছু বেশি জনসংখ্যার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে নতুন নজির গড়েছে। নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই তারা শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিয়ে মূল্যবান এক ড্র আদায় করে আলোচনায় আসে।
গত বিশ্বকাপের তুলনায় এবার আফ্রিকার জন্য বরাদ্দ দলের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছিল। তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করে বিদায় নেওয়া তিউনিসিয়া ছাড়া বাকি দলগুলোর পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে আফ্রিকার আরও বড় প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার যথেষ্ট যোগ্যতা রয়েছে।



