গুরুচরণ বিশ্ব বিদ্যালয়, থ্রি-আসাম এনসিসি-র সঙ্গে বড় পরিসরে যোগ দিবস
বরাক তরঙ্গ, ২২ জুন : দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করল গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়, শিলচর। নিরাময়-স্কুল অব যোগ এডুকেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে জিসি ইউনিভার্সিটি। শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী, পড়ুয়া, এনসিসি ক্যাডেট ও অভিভাবকরা যোগ প্রটোকল অনুশীলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে ভারতীয় পরম্পরার এই অমূল্য সম্পদ যোগ’কে দিনলিপিতে সঙ্গী করার আহবান জানান উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায়। তাঁর কথায়, সর্বাঙ্গীন বিকাশের জন্য যোগ প্রক্রিয়া অনুশীলন খুব জরুরি। আর হাজার হাজার বছর আগে আমাদের গুরুরা তার নিয়ম-শৃঙ্খলাকে লিপিবদ্ধ করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সেই জ্ঞান আজকের দিনে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে, নিয়মিত অভ্যাসে যোগ-কে ধরে রাখতে হবে আমাদের, তখনই আসল অর্থে যোগ দিবস উদযাপন সার্থক রূপ পাবে।
প্রদীপ প্রজ্বলন ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান। সমবেত প্রদীপ প্রজ্বলনে অংশ নেন উপাচার্য ড. নিরঞ্জন রায়, ডিন স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ড. জয়দীপ পাল, নিরাময়ের ডিরেক্টর শতাক্ষী ভট্টাচার্য, নিরাময়ের লিগ্যাসি পার্সন ও মুখ্য সংযোজক তথা প্রজেক্ট ডিরেক্টর যোগআচার্য রাহুল, ড. তুহিন দেশমুখ্য, পুনম দেশমুখ্য সহ অন্যরা। তাছাড়া, ইনস্টিটিউট ফর যোগ এডুকেশন রিসার্চ ও নিরাময়ের উপদেষ্টা বিক্রমজিৎ চক্রবর্তী অন্য রিসোর্স পার্সনদের মধ্যে রাতুল চক্রবর্তী, তপন চেতিয়া, পল্লব কান্তি দে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে শিলচর থ্রি-আসাম এনসিসিও রবিবার, ২১ জুন নিরাময়ের সঙ্গে মিলে বড় পরিসরে শিলচর রামকৃষ্ণ মিশন ক্যাম্পাসে যোগ দিবস উদযাপন করে। উদ্বোধন হয় শঙ্খ ধ্বনি ও গুরুপূজা দিয়ে। সমাপ্তি পর্বে উপস্থিত ছিলেন মিশনের সম্পাদক মহারাজ স্বামী গণধিশানন্দও। তিনি আনন্দময় ও সুস্থ জীবন-যাপনের জন্য নিয়মিত যোগ চর্চার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বলেন, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য, শরীর, মন ও আত্মার সংযোগ চাই। আর নিয়মিত যোগ প্রক্রিয়ার অভ্যাসই এমনটা করতে পারে। সংকল্প ও শান্তি মন্ত্রের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। প্রটোকল, সূর্য নমস্কার ও ধ্যান পরিচালনা করেন যোগ আচার্য রাহুল ও শতাক্ষী ভট্টাচার্য। এ দিন নিরাময়ের তরফে মহারাজের হাতে সম্মান স্মারক তুলে দেওয়া হয়। যোগ শিক্ষা প্রোমোশনের জন্য সম্মান জানানো হয় সিনিয়র চিত্র সাংবাদিক পার্থ শীল ও সাংবাদিক রাহুল দেব’কে। নিরাময়ের রিসোর্স পার্সনদেরও সম্মান জানায় এনসিসি। নিরাময়ের পক্ষ থেকে স্মারক বিতরণ পর্বে অন্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া কনসাল্টেন্ট নিলোৎপল ভট্টাচার্যও।
এ দিকে মহিলা কলেজ শিলচর, নেহরু কলেজ, পয়লাপুল, কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয় , আলমবাগ (তাপাং) বর্ডার রোডস-এর প্রজেক্ট পুষ্পক ইউনিট ৫১০, নেতাজি সুভাষ আবাসিক বিদ্যালয়, লিটল ট্রি হাউস চেস অ্যাকাডেমি, প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির, লামডিং সহ পঁচিশটিরও বেশি স্থানে যোগ সঙ্গম পরিচালনা করা হয় নিরামায়-এর তরফে



