২১ জুন : বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে জয়ের বিকল্প ছিল না। কিন্তু বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েও গোলের দেখা পেল না ইকুয়েডর। কুরাসাও গোলরক্ষক এলয় রুমের অবিশ্বাস্য নৈপুণ্যে গোলশূন্য ড্র করে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ক্যারিবীয় দ্বীপদেশটি। অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচে গোল করতে না পারায় বিদায়ের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে ইকুয়েডরের।
রবিবার সকালে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচটি ০-০ গোলে ড্র হয়। ম্যাচজুড়ে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে নায়ক বনে যান কুরাসাওর গোলরক্ষক রুম।
মায়ামি এফসির এই গোলরক্ষক ম্যাচে রেকর্ড ১৫টি সেভ করেন। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বাধিক সেভের রেকর্ডে যুক্তরাষ্ট্রের টিম হাওয়ার্ডের পাশে জায়গা করে নেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হাওয়ার্ডও ১৫টি সেভ করেছিলেন, যদিও সেই ম্যাচে দুই গোল হজম করতে হয়েছিল তাকে। রুম অবশ্য ক্লিন শিট ধরে রেখে কুরাসাওকে এনে দেন ঐতিহাসিক এক ড্র।
শুরু থেকেই রুমের দৃঢ়তায় হতাশ হতে থাকে ইকুয়েডর। এনার ভ্যালেন্সিয়া, জন ইয়েবোয়া, মোইসেস কাইসেদো, পেদ্রো ভিতে, কেভিন রদ্রিগেজ, নিলসন আঙ্গুলো ও গনসালো প্লাটাদের একের পর এক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন তিনি। প্রথমার্ধে ছয়টি সেভ করার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও ব্যস্ত সময় কাটে তার।
যদিও কুরাসাওও কয়েকবার পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে লিয়ান্দ্রো বাকুনা ও লিভিয়ানা কোমেনেনসিয়ার প্রচেষ্টা রুখে দেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক। ম্যাচে ২৭টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি ইকুয়েডর।
প্রথম ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে শেষ মুহূর্তের গোলে হারার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়হীন থাকল সেবাস্তিয়ান বেকাচেসের দল। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ মাত্র এক পয়েন্ট, গোলের খাতাও এখনও খোলা হয়নি।
এখন নকআউট পর্বে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারাতেই হবে ইকুয়েডরকে। অন্যদিকে, কুরাসাও শেষ ম্যাচে আইভরি কোস্টকে পরাজিত করতে পারলে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখবে।



