১৭ জুন : দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গো শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করে ১-১ গোলের সমতা আদায় করে নিয়েছে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। এর ফলও পেয়ে যায় খুব দ্রুত। ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে এগিয়ে যায় ইউরোপের দলটি। বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জোয়াও কানসেলোর বিপজ্জনক ক্রস থেকে পেদ্রো নেতো হেডে বল বাড়িয়ে দেন। সেই বলকে নিখুঁত হেডে জালে জড়িয়ে দেন পর্তুগাল দলের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় জোয়াও নেভেস। চলতি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম গোল হিসেবে রেকর্ড হয় এই গোলটি।
গোল হজমের পরও দমে যায়নি ডিআর কঙ্গো। প্রথমার্ধজুড়ে একাধিক আক্রমণ চালিয়ে তারা পর্তুগালের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে।
অবশেষে ইনজুরি টাইমের পাঁচ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত সমতা ফেরায় কঙ্গো। প্রথমার্ধ শেষের ঠিক আগে ডি-বক্সের ভেতরে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা উইসা দুর্দান্ত এক হেডে বল জালে পাঠিয়ে দেন। তার এই গোলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গোলের স্বাদ পায় ডিআর কঙ্গো এবং ম্যাচে ফিরে আসে সমতায়।
হাফটাইমে দুই দল ১-১ গোলে সমতায় মাঠ ছাড়ে। পর্তুগালের জন্য এটি হতাশাজনক সূচনা হলেও ডিআর কঙ্গোর জন্য বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি হয়ে উঠেছে স্মরণীয় এক অধ্যায়।



