মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১৭ মে : পাথারকান্দির উন্নয়নের অন্যতম রূপকার তথা জনপ্রিয় বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের জন্মদিন ঘিরে রবিবার উৎসবের আবহে মেতে উঠল গোটা পাথারকান্দি ও শ্রীভূমি জেলা। সকাল থেকেই শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও আবেগে ভরে ওঠে তাঁর কানিশাইলস্থিত বাসভবন। দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সকলের উপস্থিতিতে দিনটি যেন এক মহামিলন উৎসবে পরিণত হয়। টানা তিনবার বিপুল জনসমর্থনে নির্বাচিত এই জননেতা শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন, বরং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবেও এলাকায় বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ফুলের তোড়া, উপহার ও শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে তাঁর বাসভবনে পৌঁছে যান। দিনভর সেখানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেখা যায় শুভেচ্ছার জোয়ার। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে হাজার হাজার মানুষ তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। অনেকে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উজ্জ্বল রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কামনা করে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন।
বিশেষ করে যুবসমাজ ও প্রবীণ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, কেউ কেক কেটে আনন্দ ভাগ করে নেন, আবার কেউ বক্তব্যের মাধ্যমে বিধায়কের প্রতি নিজেদের আস্থা ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য, কৃষ্ণেন্দু পাল সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ান বলেই তিনি শুধু নেতা নন, পরিবারের সদস্যের মতোই আপন হয়ে উঠেছেন। এদিন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। বিভিন্ন এলাকায় কেক কাটা, মিষ্টি বিতরণ ও দোয়া প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি দরিদ্র শিশুদের মধ্যে খাবার ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণের মতো মানবিক উদ্যোগও গ্রহণ করেন দলীয় কর্মীরা। রবিবার রাতে লোয়াইরপোয়া মণ্ডল বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত হয় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। আলোকসজ্জায় সেজে ওঠা কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন মহিলা মোর্চা, যুব মোর্চা, দলীয় নেতা-কর্মী ও অসংখ্য সমর্থক। বিশাল কেক কেটে উদযাপন করা হয় প্রিয় নেতার জন্মদিন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষ্ণেন্দু পালের উদ্যোগে এলাকায় রাস্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পানীয়জল ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। তাঁর সহজ-সরল ব্যবহার ও মানুষের প্রতি আন্তরিকতাই তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আবেগঘন বক্তব্যে বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, “পাথারকান্দিবাসীর ভালোবাসা ও আশীর্বাদই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষের জন্য কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”



