বরাক তরঙ্গ, ১৫ মে : নাবালিকার সঙ্গে যৌনাচারের মামলায় প্রৌঢকে ২০ বছর কারাবাসের সাজা শোনালো কাছাড়ের দায়রা জজ বিপ্রজিত রায়ের আদালত। সাজাপ্রাপ্ত বাবুল লোহার (৫০) কালাইন থানা এলাকার দিগরখাল গোবিন্দকুপার বাসিন্দা। বাবুলের কুকর্ম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে। তার প্রতিবেশী বছর ১৫-র এক নাবালিকাকে ফুসলিয়ে কিছুদিন ধরে সে যৌনাচার চালিয়ে আসছিল।যদিও প্রথমত কেউই কিছু বুঝতে পারেননি। ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হলে বেরিয়ে আসে বাবুলের কুকর্মের কথা। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে নাবালিকা যখন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তখনতার শরীরে এর লক্ষণ ফুটে উঠলে অন্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে নাবালিকা বাবুলের কথা জানায়।
এই ঘটনাকে ঘিরে তখন এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বাবুলের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্থানীয় লোকজন। নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে কালাইন থানার অধীন গুমড়া পুলিশ অনুসন্ধান কেন্দ্রে বাবুলকে অভিযুক্ত করে এজাহার দায়ের করা হয়। এর ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত চালায়। তদন্ত প্রক্রিয়ার মাঝেই নাবালিকা এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। এদিকে, পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে মামলা গড়ায় আদালতে।
আদালতে বিচার প্রক্রিয়ার পর রায় ঘোষণা করা হয় বৃহস্পতিবার। এতে বাবুলকে পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছর কারাবাসের সাজা শুনিয়ে সঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ভোগ করতে হবে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড।



