৫ মে : হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে খুন বিজেপি কর্মী। গতরাতে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম যাদব বর। উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ মানশ্রী রামচক গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিজেপির বিপুল জয়ে আবীর খেলায় মেতেছিলেন যদব। তারপরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে নাকি তাঁর ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে উদয়নারাণপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকরা মাঠে বসে দলের জয় উদযাপন করছিলেন। পরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে মুখ চেপে তাঁকে টেনে নিয়ে যায় তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারা হয় যাদবকে। তারপর তাঁর দেহ নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়।
২০২৬ সালের নির্বাচন চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক কর্মী খুন হননি। তবে ভোটের ফল প্রকাশের পরই দিকে দিকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বহু জায়গায় তৃণমূল অফিসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয় কলকাতাতে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট। বিশ্বজিতের পরিবার জানায়, ভোট গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সামনে থেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ একটা ফোন পান বিশ্বজিৎ। এরপর তিনি বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। এরপর থেকে আর তাঁকে ফোনে পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। পরে বাড়ির লোক তাঁকে খুজতে বের হতেই দেখে দরজার সামনে পড়ে বিশ্বজিতের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বিশ্বজিতের ফোন তাঁর পকেটে পাওয়া যায়। সেই ফোনটি ভাঙা ছিল। এই ঘটনায় বেলেঘাটা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিবার নির্দিষ্ট ভাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি। তবে তাদের বক্তব্য, যেহেতু তৃণমূলের কর্মী হিসেবে কাজ করতেন বিশ্বজিৎ, তাই এটা রাজনৈতিক খুন বলে দাবি করছেন তারা।



