অসমের বিধানসভা ভোটে নির্ণায়ক ভূমিকা থাকবে বাঙালিদের

Spread the news

।। প্রদীপ  দত্ত রায় ।।
(লেখক প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী)
২০ মার্চ : অসমের চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের বাঙালিরা নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে চলেছেন। এমন লক্ষণ এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্যে মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ বাঙালি। ফলে অনেক আসনে জয়-পরাজয়ের কারণ হয়ে ওঠে বাঙালিদের ভোট দানের ক্ষেত্রে দল নির্বাচন। সবগুলি রাজনৈতিক দলই বাঙালিদের এতদিন ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। বর্তমান শাসক দল বিজেপি এর ব্যতিক্রম নয়। এ রাজ্যে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রেখে ভোট আদায়ের কৌশল গ্রহণ করায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই যে সিদ্ধ হস্ত এর প্রমাণ বারবার দিয়ে এসেছে। বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব কম রাখার জন্য দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করা, বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় বিভাজনের খেলা শুরু করে কিছু কিছু অপ্রাসঙ্গিক দলকে ময়দানে নামিয়ে দেওয়া হয়। এইসব দলের কাজ হল ভোট কেটে সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থীকে পরাজিত করে দেওয়া। কিন্তু এবার ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় হিন্দু বাঙালিরা অন্য একটি সংগঠনের ছত্রছায়ায় এসে চিরাচরিত রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াইর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় গণপরিষদ নামের এই সংগঠন একুষ্টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছে। এই সংগঠন যদি লড়াইয়ের ময়দানে থাকে তাহলে অনেক আসনেই রাজনৈতিক দলগুলির কাঙ্খিত ফলাফল নাও মিলতে পারে। একুষ্টি আসনেই ভারতীয় গণপরিষদ নামের এই নবগঠিত দলের সাফল্য মিলবে এমন নয় তবে নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই আশঙ্কা কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলিকে তাড়িয়ে বেড়াবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

স্বাধীনতার পর থেকেই  এ রাজ্যের বাঙালিরা নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। জাতীয় নাগরিক পঞ্জি নবীকরণের নামে যে ধরনের হেনস্তার  শিকার হয়েছেন এ রাজ্যের বাঙালিরা তা এক ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছে।  নাগরিক পুঞ্জি নবীকরণ হলেও কিন্তু সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে আজও প্রকাশিত হলো না। অথচ বিভিন্ন সরকারি কাজের ক্ষেত্রে এই তালিকার  রেফারেন্স  ব্যবহার করতে হচ্ছে। এমন কি পাসপোর্ট তৈরীর সময়ও এনআরসিতে নাম রয়েছে কিনা তার নথি দেখতে যাওয়া হয়। যাদের নাম নাগরিক পঞ্জি নবী করনে বাদ পড়ে গিয়েছিল তাদের রিজেকশন স্লিপ দেওয়ার কথা ছিল সে কাজও হয়নি ফলে তারা এ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারছেন না। এই এনআরসি জটিলতার জন্যই এ রাজ্যের একাংশ মানুষের আধার কার্ড করার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে এই বাধা কিছুটা দূর হলেও মানুষ হেনস্থা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। বিদেশি বাছাই নামে ট্রাইব্যুনাল গুলো থেকে যেসব মামলার রায় হয়েছে এর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। আদালত এক তরফা রায়ে তাদের বিদেশী ঘোষিত করে দিয়েছে। পরবর্তীকালে আদালতে মামলা লড়ে অনেকেই নিজেদের ভারতীয় নাগরিক প্রমাণ করতে সমর্থ্য হয়েছেন। কোনো কোনো মামলায় আদালত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় বিদেশী ঘোষিতকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিয়েছে। তবে এই লড়াইয়ের ক্ষেত্রটা দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল। খুব সাধারণ পরিবারের মানুষকে এক্ষেত্রে লড়াই করতে গিয়ে সর্বস্ব খোয়াতে হয়। ফলে এই ধরনের মানুষের মনে প্রতিষ্ঠান বিরোধী মনোভাব গড়ে ওঠা অস্বাভাবিক নয়। যেসব পরিবার এই ধরনের হেনস্থার সম্মুখীন হয়েছে তারা ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই ১০ বার চিন্তাভাবনা করে দেখবে।

রাজ্যের বাঙালিদের সামনে কর্মসংস্থানের সংকট তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি চাকরি-বাকরিতে বাঙালিদের নিয়োগের পরিমাণ খুবই সামান্য। অসমে বর্তমান সরকারের আমলে প্রায় দেড় লক্ষ সরকারি পদে নিযুক্তি হয়েছে। এরমধ্যে বাঙালিদের সংখ্যা খুব বেশি হলে ২০০০। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বাঙালিদের বঞ্চনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে আমি এর আগে প্রশ্ন তুললেও সরকারের সাহস হয়নি স্বেতপত্র প্রকাশ করে সত্য মিথ্যা প্রমাণ করে দেওয়া। চাকরির বাজার মন্দা হওয়ার ফলে অনেককে বিকল্প রোজগারের পথে হাঁটতে হলেও সরকারি অনুদান ঠিকমতো মিলছে না। অনেক শিক্ষিত বেকার বাধ্য হয়ে ই রিক্সা বা এই অটো চালিয়ে সংসার প্রতিপালনের নেমেছেন। অনেকে ফুটপাতে খাবারের দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নিয়েছেন। বেসরকারি ক্ষেত্রেও শিল্প গড়ে উঠলে শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের পথ ছিল কিন্তু তা করা হচ্ছে না। যেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কিছু কিছু কর্মসংস্থান হয় সেগুলির মাইনে এতই কম যে তা দিয়ে একটি পরিবার প্রতিপালন করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কর্মসংস্থান হীন এইসব বেকারের পরিবারের লোকেরা ভোট নিয়ে কখনোই লালায়িত নন। বরং তাদের কাছে এই যে ভোট উৎসব এটা একটা যন্ত্রণারই কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই শ্রেণীর মানুষ নিজেদের পরিবার প্রতিপালন নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে তাদের পক্ষে রাজনীতির গুনাগুন বিচার করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে তাদের মধ্যে শাসকদলের প্রতি যে খুব রয়েছে তা কথা বললেই বুঝতে পারা যায়। অর্থাৎ বিরোধিতার চৌরা স্রোত এদের মধ্যেও বহমান।

এবার নির্বাচন ঘোষণা করার বহু আগে থেকেই ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার কয়েকটি বাঙালি সংগঠন নির্বাচনে বাঙ্গালীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য দাবি চলে এসেছে। বিজেপি এবং কংগ্রেস দলের কাছে কমপক্ষে দশটি আসনে বাঙ্গালীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। যে চারটি সংগঠন একত্রিত হয়ে এ দাবি তুলেছে এই সংগঠনগুলির উপদেষ্টা মন্ডলীতে রয়েছেন অনেক আইপিএস আইএএস এবং অন্যান্য পদস্থ সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা। তাদের বক্তব্য মোটামুটি স্পষ্ট যে কোন ধরনের তোষামোদে তাদের টোলানো যাবে না। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা যায় ভোটের আগে আগে এই ধরনের কঠোর মনোভাব আস্তে আস্তে শিথিল হয়ে যায়। এবারও এমনটা হবে কিনা বলা মুশকিল। তবে উপদেষ্টা মন্ডলীর কয়েকজন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন কোন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বাঙালি প্রতিনিধিত্ব নিয়ে যদি কথা বলতে চান তাহলে উপদেষ্টা মন্ডলীর সঙ্গে কথা বলতে হবে। যেসব বাঙালি সংগঠনের কথা উল্লেখ করছি এগুলির অধিকাংশই হিন্দু বাঙ্গালীদের সংগঠন। কারণ বাঙালি মুসলমানরা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বহুধা বিভক্ত। বদরুদ্দিন আজমল এর এ আই ইউ ডি এফ দলে যেমন প্রচুর সংখ্যক বাঙালিরা রয়েছেন তেমনি কিছু সংখ্যক রয়েছেন কংগ্রেসের সঙ্গে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের সঙ্গেও বাঙালি মুসলমানরা ওতোপ্রোতভাবে  জড়িত। ফলে হিন্দু বাঙালি ছাত্র যুব সংগঠনগুলির সঙ্গে এই জনগোষ্ঠীর খুব একটা যোগাযোগ নেই। সারা ওসম মাইনরিটি ছাত্র সংস্থা বলে একটি সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনটি মূলত বাঙালি মুসলমানদের এই বলা চলে। কিছু কিছু হিন্দু বাঙালি বা অন্য কোন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব থাকলেও তা তেমন লক্ষ্য নিয়ম নয়। ভোটের ময়দানে এই সংগঠনের দাবি-দাওয়া খুব একটা বিকোয় না।

বরাক উপত্যকায়ও শাসক দলের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হওয়া কিছুটা হলেও রয়েছে। প্রার্থী কেন্দ্রিক জটিলতাকে কেন্দ্র করে বিজেপি দলের অভ্যন্তরেও কিছু অসন্তোষ দেখা দিতে পারে এমন সম্ভাবনাকেও নাকচ করে দেওয়া যায় না। তবে এখানে বিরোধী শক্তি ততটা প্রবল নয় বলেই এই প্রতিষ্ঠান বিরোধী হওয়াকে কাজে লাগিয়ে মিরাকেল কিছু ঘটিয়ে ফেলবে এই সম্ভাবনা যথেষ্ট কম। তবে হ্যাঁ,  কোন কোন আসনে মিরাকল ঘটেও যেতে পারে এই সম্ভাবনাকেও একেবারে পত্রপাঠ নাকচ করা যায় না। কর্মসংস্থান না মেলায় এ উপত্যকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ যথেষ্টই রয়েছে। এই ক্ষোভ যদি পুঞ্জিভূত হয়ে ওঠে তাহলে এর বহিঃপ্রকাশ টা ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হতে পারে। আর তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই হিসেবে নিকেশ পাল্টে যাওয়া অস্বাভাবিক বিষয় হবে না। দলীয় ক্যাডার ভোট ছাড়াও যেসব ফ্লোটিং ভোট রয়েছে সেগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গতি বদল করে থাকে। একসময় এই ভাসমান ভোটের অধিকাংশই কংগ্রেসের ভোট বাক্সে পড়তো। কারণ তখন বিরোধীপক্ষ ততটা শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু এখন সময় বদলেছে বদলেছে মানুষের ধ্যান-ধারণা। ভাসমান ভোটারের মধ্যেও নানা ধরনের প্রলোভনের ফাঁদে যারা পা দিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন তাদের পক্ষে চট করে পক্ষ অবলম্বন করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে যারা এই ধরনের কোন অনুদান নির্ভর নন সেইসব ভাসমান ভোট অনেক সময় যোগ্য প্রার্থীর মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বহুলভাবে প্রয়োগ হতে দেখা যায়। এটা কেবল বরাক উপত্যকায় নয় গোটা রাজ্যের ক্ষেত্রেই ভোটা সম্ভব। কারণ দেখা গেছে শাসক দলের প্রবল হওয়ার মধ্যেও অনেক বিরোধী শক্তিশালী প্রার্থীরা ভালো ভোটের ব্যবধান নেই আসন জয় লাভ করে থাকেন। তবে শাসক দল প্রার্থী নির্বাচনে যদি কোন ভুল করে তাহলে এর মাশুল এবারের ভোটে নিশ্চিতভাবেই গুনতে হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। ভুল প্রার্থী চয়ন করলে সেই আসন বিরোধীরা দখল করে নিতে পারে এমন ইঙ্গিত এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে।

ভোটের নির্ঘন্ট প্রহয়ে হয়ে সবশেষে এটাই বলতে চাই অসমে যেহেতু এক তৃতীয়াংশ বাঙালি ভোটার। এই ভোটারের উপর নির্ভর করে রাজ্যের প্রায় ৪০টি বিধানসভা আসনের ফলাফল। কোন কোন আসনে বাঙালি ভোটাররাই মূল ফ্যাক্টর। কোন কোন আসনে হিন্দু-মুসলমান মিলে সম্মিলিত বাঙালি ভোট আসনের নির্ণায়ক ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে ধর্মীয় মেরুকরণ এর মধ্য দিয়ে শাসক দল যে বিভাজন ঘটিয়েছে এতে সম্ভাব্য ফলাফলের অনেক পরিবর্তন ঘটে যায়। বিশেষ করে যারা ইউডিএফ কে ভোট দেন তারা প্রকারান্তরে বিজেপির জয়ের পথকেই সুগম করে দেন। কারণ ধর্মীয় লাইনে ভোট বিভাজিত হলে তাতে বিরোধী ঐক্য শক্তির কোন লাভ হয় না। আর এবার আসন রূপার ক্ষেত্রে বিরোধীদের মধ্যে যে অনেকের চিত্রের ফুটে উঠেছে তারা বেশ কিছু আসনে বিরোধীদের সম্ভাব্য জয়ের পথকে কঠিন করে তুলেছে। তবে গোটা রাজ্যে প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার যে চোরা স্রোত বইছে তাকে যদি কাজে লাগাতে পারে বিরোধীরা দ্বিধাবিভক্ত হলেও তারা অনেক আসনে জয় ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবে। এবং এক্ষেত্রে বিক্ষুব্ধ বাঙালিদের শক্তি প্রদর্শন ভোটের ফলাফলের অনেক অদল বদল ঘটিয়ে দিতে সক্ষম।  ভোটের আগে ধর্মীয় বিভাজন যদি বেশি প্রকট হয় তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল দেখা যেতে পারে। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গেছে। এখন মনোনয়নপূর্ব এবং ভোটদান পর্ব চলবে। আগামী কয়েকদিনের গতিপ্রকৃতি বলে দেবে এ রাজ্যের মসনদে খারাপের ক্ষমতায় ফিরে আসছে। এবং এবারের নির্বাচনে বিরোধীরা কতটা জল ঘোলা করতে সক্ষম হয়েছে সেটাও স্পষ্ট হয়ে পড়বে। কংগ্রেসের সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈ, বিধায়ক কমলক্ষ দে পুরকায়স্থ , শশীকান্ত দাস সহ এক ঝাঁক কংগ্রেস নেতা শাসক বিজেপি দলে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনা বিরোধীপক্ষকে ওকে যথেষ্ট ব্যাক ফুটে ঠেলে দিয়েছে। তাতে কোনও সন্দেহ নেই। যদিও কংগ্রেস মুখে কথা স্বীকার করবে না কিন্তু এটাই হল বাস্তব। আর এই যোগদান শাসকদলের মনোবলকে খানিকটা হলেও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে শেষ কথা বলবেন ভোটদাতারাই। বাঙালি ভোট দাতাদের মধ্যে যদি প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার  চোরা স্রোত বইতে থাকে তাহলে অনেক আসনের হিসাব নিকাশ পাল্টে যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
(মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *