২৪ অক্টোবর : বাজি তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৭জনের। শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের সিওয়ান জেলার বড়হদিয়া প্রখণ্ডের অন্তর্গত আলমপুর গ্রামে। মৃতদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করা গিয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা আমিরুদ্দিন মিয়া। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছেছে ৷ সরকারিভাবে 5 জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হলেও বেসরকারি সূত্রে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, নিহত আমিরুদ্দিন মিয়াই ওই বাড়ির মালিক এবং তিনিই বাজি তৈরির ডিলার। বেআইনিভাবে বাজি তৈরির কাজ চলছিল। বাজি বিস্ফোরণের অভিঘাত এতটাই ছিল যে পুরো বাড়িটাই ভেঙে পড়ে। বাড়ির ভিতরে থাকা মানুষ চাপা পড়ে যায়।
বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে আগুন ধরে যায়। মনে করা হচ্ছে, বাড়িতে মজুত করা বাজিতে আগুন ধরে এই বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে বিস্ফোরণ চলছিল।

গত ২০অগস্ট দক্ষিণ ২৪পরগনার চম্পাহাটিতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চম্পাহাটিতে একটি বাড়িতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসেন। বিস্ফোরণে ঘরের ভিতরে থাকা পাঁচজন গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের পর তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গত ৩১ অগস্ট উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বিতে আতশবাজির গুদামে বিস্ফোরণে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। আরও কয়েকজন আহত হন । প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এই বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি হয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নয়তো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা পৌঁছান ঘটনাস্থলে। শুরু হয় উদ্ধারকাজ ৷
বেলা ১১টা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বির মানৌরি বাজারে একটি আতশবাজির গুদামে জোরালো বিস্ফোরণ হয়। পিপরি ও পুরামুফতি থানা এলাকার সীমানায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় একটি আতশবাজির গুদাম রয়েছে।



