অনুপ্রবেশকারীদের বনভূমি দখলের অভিযোগ, পাথারকান্দিতে বৃহৎ উচ্ছেদের ইঙ্গিত মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুর

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২৩ আগস্ট :
পাথারকান্দিতে বনভূমি ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কড়া অবস্থান নিল অসম সরকার। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের বার্তা দিয়ে প্রয়োজনে বৃহৎ উচ্ছেদ অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী তথা পাথারকান্দির বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল।

শনিবার মালুয়া সড়ক সংস্কারের একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বনভূমি দখলের বিষয়টি নিয়ে সরব হন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, ১৯৮৬ সালের পর বাংলাদেশ থেকে আসা কিছু অনুপ্রবেশকারী এলাকায় প্রবেশ করে ধীরে ধীরে বনাঞ্চলের জমি দখল করে অবৈধ বসতি গড়ে তুলেছে। যদিও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান, নথি বা অভিযুক্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, বনভূমি কিংবা সরকারি জমি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বেআইনিভাবে সরকারি জমি দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ বা স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার অধিকার কারও নেই। দীর্ঘদিন ধরে যেসব এলাকায় দখলের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষ্ণেন্দু পাল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বন দফতরের আধিকারিকদের জমির নথি, বন বিভাগের রেকর্ড এবং বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে দখলদারদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রয়োজনে প্রশাসন, বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সমন্বয়ে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হতে পারে।

তবে সম্ভাব্য অভিযানের ক্ষেত্রে আইনসম্মত প্রক্রিয়া এবং জমির বৈধ নথি যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার দাবি উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও পরিচয় বা সন্দেহের ভিত্তিতে নয়, সরকারি রেকর্ড ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি সম্পত্তি দখল করে কেউ পার পাবেন না। বনভূমি দখল, সরকারি জমিতে অবৈধ নির্মাণ কিংবা অনুমতি ছাড়া জমি ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *