গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ে দশ দিনের সংস্কৃত সম্ভাষণ বর্গ সম্পন্ন

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ২৩ আগস্ট : গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ এবং সংস্কৃতভারতী, পূর্বোত্তর ভারতের যৌথ উদ্যোগে ১১ থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দশ দিনের সংস্কৃত সম্ভাষণ বর্গের আয়োজন করা হয়। শনিবার ছিল এই বর্গের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। ভারতীয় জ্ঞান-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূল স্বরূপ সংস্কৃত ভাষার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ বাড়ানোই ছিল এই বর্গের মূল উদ্দেশ্য।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৮টা পর্যন্ত গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ নম্বর কক্ষে সংস্কৃত সম্ভাষণ বর্গের প্রশিক্ষণ চলে। এতে মোট ৫১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বর্গের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্কৃতভারতীর দক্ষিণ অসম প্রান্তের সহমন্ত্রী কুশ সিনহা, সংস্কৃতভারতীর দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রান্ত মন্ত্রী বিক্রম বিশ্বাস এবং সংস্কৃতভারতী মধ্য কাছাড় জেলার প্রশিক্ষণ প্রমুখ রুমা চৌধুরী। উল্লেখ্য, আগামী ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব সংস্কৃত দিবসের অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের শংসাপত্র প্রদান করা হবে।

সংস্কৃত সম্ভাষণ বর্গের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. অনামিকা চক্রবর্তী, সংস্কৃত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সুকানী নাথ, সংস্কৃত বিভাগের বরিষ্ঠ অধ্যাপক রেবা রায়, এই বর্গের সংযোজক তথা সংস্কৃতভারতী দক্ষিণ অসমের প্রান্তমন্ত্রী ড. কেশব লুইটেল, দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রান্তমন্ত্রী বিক্রম বিশ্বাস এবং সংস্কৃত বিভাগের অতিথি অধ্যাপক ড. ভৃগু রাজখোয়া।

অতিথির ভাষণে ড. অনামিকা চক্রবর্তী বর্তমান সময়ে সংস্কৃতশিক্ষার প্রাসঙ্গিকতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের বর্গ পড়ুয়াদের সামাজিক বিকাশে সহায়ক এবং সংস্কৃত সম্ভাষণ বর্গ আয়োজনের জন্য তিনি উদ্যোক্তাদের সাধুবাদ জানান।

সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. সুকানী নাথ, বর্গ প্রশিক্ষক রুমা চৌধুরী, অধ্যাপক রেবা রায় এবং ড. ভৃগু রাজখোয়া। রুমা চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে সংস্কৃত ভাষার প্রয়োজনীয়তা, প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. সুকানী নাথ। সমবেত শান্তিমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *