উত্তর করিমগঞ্জের বেহাল সড়ক সংস্কারে তৎপর জাকারিয়া

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ৭ মে : নির্বাচনের ফল ঘোষণার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই উন্নয়নের কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন উত্তর করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক জাকারিয়া আহমদ পান্না। এলাকার দীর্ঘদিনের জনসমস্যাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে একের পর এক উদ্যোগ গ্রহণ করছেন তিনি। বিশেষ করে শহরের বেহাল ও জরাজীর্ণ সড়কগুলির দ্রুত সংস্কারের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন বিধায়ক।

দীর্ঘদিন ধরে উত্তর করিমগঞ্জের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কের করুণ অবস্থা সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও যাত্রীসাধারণ—সকলেই প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেন বিধায়ক জাকারিয়া আহমদ পান্না।
বৃহস্পতিবার তিনি নর্থ ইস্ট অঞ্চলের NHIDCL-এর রিজিওনাল অফিসার নির্মণ কৃষণ জামবুলকারের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে উত্তর করিমগঞ্জের বিভিন্ন সড়কের বেহাল অবস্থার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তিনি। বিধায়কের বক্তব্য, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া কোনও অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে দ্রুত রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ শুরু হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে জনসাধারণকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য।” বৈঠকে রিজিওনাল অফিসার নির্মণ কৃষণ জামবুলকার বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী দলকে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এই বৈঠকের পর এলাকাবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়ক সমস্যার সমাধানে এবার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। নবনির্বাচিত বিধায়কের দ্রুত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা ইতিমধ্যেই জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

স্থানীয় মহলের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উত্তর করিমগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উত্তর করিমগঞ্জে যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *