ক্ষমা প্রার্থনা করলেন বসন্তকুমার গোস্বামী

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ২১ মে : সংবাদ মাধ্যমকে দোষারোপ করে আত্মপক্ষ সমর্থনের পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলেন বসন্তকুমার গোস্বামী। ‘মিঞা’ সম্প্রদায়কে তুষ্ট করার অভিযোগে জাতিগত পরিচয় এবং অসমের ঐতিহ্য নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। যদিও পরে ক্ষমা চান, তবে সেই সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধেই তাঁর বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করার অভিযোগ তোলেন সাহিত্য সভার সভাপতি। এক প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করারও চেষ্টা করেন তিনি।

তবে ওই বিবৃতিতে ‘মিঞা’দের মাতৃভাষা সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রসঙ্গ সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান বসন্তকুমার গোস্বামী। একইসঙ্গে তিনি এড়িয়ে যান “মিঞাই অসমিয়া ভাষা বাঁচিয়ে রেখেছে”, “মিঞা অসমিয়ার বাপতিসাহোন” কিংবা “মিঞারা অসমিয়া না বললে অসমিয়া সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে”— এই ধরনের বহুল সমালোচিত মন্তব্যগুলিকেও। পরিবর্তে বড়ো ও মিছিং জনগোষ্ঠীর প্রসঙ্গ টেনে এনে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। সাহিত্য সভার সভাপতির দাবি, বড়ো ও মিছিং জনগোষ্ঠীও অসমীয়া সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে মূল বিতর্ক থেকে সরে গিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন বলেই বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রেস বিবৃতিতে বসন্তকুমার গোস্বামী উল্লেখ করেন, গত ১৭ মে ২০২৬ বরপেটা জেলার কয়াকুছিতে আয়োজিত এক সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া তাঁর মন্তব্যকে “শব্দের এদিক-ওদিক করে” বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, অসমে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী যেসব জনগোষ্ঠীর স্বীকৃত ভাষা ও শিক্ষার মাধ্যম রয়েছে, তারা জনগণনায় নিজেদের মাতৃভাষা হিসেবে বড়ো বা মিছিং ভাষার নামই উল্লেখ করবে— এটাই স্বাভাবিক। বড়ো ও মিছিং জনগোষ্ঠীর নাম তিনি কেবল উদাহরণ হিসেবেই ব্যবহার করেছিলেন বলেও দাবি করেন সাহিত্য সভার সভাপতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *