
বরাক তরঙ্গ, ১৯ মে : গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ে, সকাল এগারোটায় উনিশের ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ বেদী প্রাঙ্গণে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের সূচনা হয়।
পরবর্তীতে গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিরঞ্জন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অপরাপর অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক প্রফেসর বিদ্যুৎকান্তি পাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অব আর্টস প্রফেসর আসরফ হোসেইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অব স্টুডেন্টস এফেয়ার্স ড. জয়দীপ পাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিডিসি প্রফেসর চন্দন পাল চৌধুরী প্রমুখ।
এদিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যাপিকা ড. পৌলমী চক্রবর্ত্তী উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. উত্তম পালুয়া। উনিশের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন অধ্যাপিকা ড. অনামিকা চক্রবর্তী। প্রফেসর নিরঞ্জন রায় ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে, নব্য শিক্ষানীতি ২০২০ তে মাতৃভাষার প্রচার ও প্রসারের আদর্শ সম্পর্কে বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেন। প্রফেসর বিদ্যুৎকান্তি পাল উনিশে মে-র ভাষা সংগ্রামের শক্তি ও ঐশ্বর্যের কথা তুলে ধরেন।
উনিশে মে-র সংগ্রামের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোকপাত করেন প্রফেসর আসরফ হোসেন। উনিশের ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা স্বরূপা ভট্টাচার্য। এদিন সঙ্গীত পরিবেশন করেন অধ্যাপক অবন বুঢ়াগোঁহাই, নৃত্য পরিবেশন করেন অধ্যাপিকা সাগরিকা পাল, কবিতা আবৃত্তি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী সমর্পিতা ভট্টাচার্য, নৃত্য পরিবেশন করে শিক্ষার্থী বর্ণালী চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিবেশন করে শিক্ষার্থী বৈশালী কর। এদিনের অনুষ্ঠান সার্বিক ভাবে পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. প্রণয় ব্রহ্মচারী। এদিনের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাকর্মী ও সব শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।



