৮ জুলাই : সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ নির্ধারিত ৯০ মিনিট তো বটেই, অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও দুর্বল ফিনিশিংয়ের কারণে গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ। ফলে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে।
সেখানেই ইতিহাস গড়ে সুইজারল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৪–৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় সুইসরা। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। তবে সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলকে পরাস্ত করতে পারেননি লুইস দিয়াজরা। দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ে ও ফাবিয়ান রিডারের নেতৃত্বে পাল্টা আক্রমণ শানায় সুইজারল্যান্ড। তবে কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাসও দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে দলকে রক্ষা করেন। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে গোলশূন্য সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন হুয়ান কুইন্তেরো। জবাবে গোল করেন সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং জেকি আমদুনি গোল করে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। পরে ম্যানুয়েল আকাঞ্জি পেনাল্টি মিস করায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গ্রেগর কোবেল। লুইস দিয়াজ গোল করে আশা জাগালেও শেষ শটে রুবেন ভার্গাস কোনো ভুল করেননি।
টাইব্রেকারে ৪–৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সুইজারল্যান্ড। দীর্ঘ ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে, যেখানে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার চ্যালেঞ্জ।



