মোহাম্মদ জনি শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ৯ মে : আজ ২৫শে বৈশাখ। বাঙালির হৃদয়ে এক আবেগ, এক অনুপ্রেরণার নাম বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শ্রদ্ধা ভালোবাসা ও সাংস্কৃতিক আবহে মুখর হয়ে উঠল শ্রীভূমি। জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হয় এক বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান। শনিবার কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন উপস্থিত সকলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার পদাধিকারী, সদস্যবৃন্দ, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এরপর একে একে সকলেই কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে তুলে ধরেন রবীন্দ্রনাথের অসামান্য সাহিত্যকীর্তি, মানবতাবাদী দর্শন, শিক্ষা ভাবনা এবং সমাজ গঠনে তাঁর অবদান। বক্তারা বলেন, শুধু বাংলা সাহিত্য নয়, বিশ্বসাহিত্যের আকাশেও রবীন্দ্রনাথ এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও দর্শন আজও মানুষকে মানবতার পথে চলার প্রেরণা জোগায়। বর্তমান সময়ে সমাজে সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় রবীন্দ্রচেতনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলেও মত প্রকাশ করেন তাঁরা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, ক্রীড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও সংস্থা সমানভাবে কাজ করে চলেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্রীড়াবিদ ও যুব সদস্যরাও কবিগুরুর আদর্শকে জীবনের প্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল এক আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সংস্কৃতিমনস্ক পরিবেশ।
জেলা ক্রীড়া সংস্থা, শ্রীভূমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও মহান মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সমাজে সাংস্কৃতিক চেতনা জাগিয়ে তুলতে এ ধরনের কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা হবে।



