৭ জুলাই : ‘লেজেন্ড বনাম ফিউচার’—এই তকমা নিয়েই সোমবার মুখোমুখি হয়েছিল পর্তুগাল ও স্পেন। একদিকে দেশের জার্সিতে শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে ছিল বিশ্বকাপ জয়ের শেষ সুযোগ। অন্যদিকে, স্পেনের হয়ে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক আসরেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে মরিয়া ছিলেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।
তবে শেষ পর্যন্ত আলো কেড়ে নিলেন স্পেনের সুপার-সাব মিকেল মেরিনো। সংযোজিত সময়ে তাঁর করা একমাত্র গোলেই পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল স্পেন। আর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই চোখের জলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো রোনাল্ডোকে। ডালাসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের দুই পরাশক্তির লড়াই শুরু থেকেই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের ৮ মিনিটেই স্পেন এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ড্যানি ওলমোর নিখুঁত পাস থেকে একা গোলরক্ষককে পেলেও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি তিনি।
১৬ মিনিটে আবারও স্পেনের আক্রমণে লামিন ইয়ামাল ও অ্যালেক্স বায়েনার পরপর দুটি প্রচেষ্টা দুর্দান্তভাবে রুখে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কোস্তা। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে শুরু করে পর্তুগাল। ৪১ মিনিটে নুনো মেন্ডেসের দূরপাল্লার শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
বিরতির পরও দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা মিলছিল না। ম্যাচের শেষদিকে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলী বদলই পার্থক্য গড়ে দেয়। পরিবর্ত হিসেবে নামা ফেরান তোরেসের বাড়ানো পাস থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন মিকেল মেরিনো। তাঁর একমাত্র গোলেই শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে স্পেন।



