বরাক তরঙ্গ, ২ জুলাই : পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক নতুন কার্যসূচি হাতে নিচ্ছে। যে-‘জনসংঘ’-র হাত ধরে বিজেপি নামক রাজনৈতিক দলের জন্ম ও উত্থান, সেই ‘জনসংঘ’-র প্রতিষ্ঠাতা তথা আধুনিক পশ্চিমবঙ্গের জনক ভারতকেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদের আসন্ন জন্মদিবসকে মধ্যে রেখে “শ্যামাপ্রসাদ-পক্ষ” (২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই) উদযাপন করার লক্ষে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এক পক্ষকালীন কার্যসূচি হাতে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
উল্লেখ, ১৯০১-এর ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদের জন্ম। সারা পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যে সাজো-সাজো রব। সমস্ত বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে এই স্মরণ অনুষ্ঠান পালিত হচ্ছে। অসম থেকে এই উদযাপনে আমন্ত্রিত হয়েছেন কটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহযোগী অধ্যাপক, ‘বাংলা সাহিত্য সভা, অসম’-এর সাধারণ সম্পাদক তথা বিশিষ্ট লেখক ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক ড. প্রশান্ত চক্রবর্তী। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে অবস্থিত ঐতিহ্যমণ্ডিত আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল মহাবিদ্যালয়ে “ভারতের গৌরবময় ইতিহাসের অনালোকিত অধ্যায়সমূহের পুনর্মূল্যায়ন: দূরদর্শী নেতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য অবদান” শীর্ষক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আলোচনা-চক্রে অন্যতম আমন্ত্রিত বক্তা রূপে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
এই আলোচনা-চক্রে অন্যান্য আমন্ত্রিত বক্তার মধ্যে আছেন অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন যোজনার সর্বভারতীয় মহাসচিব হেমন্ত ধিং মজুমদার, অধ্যাপক অনিলকুমার বিশ্বাস বিভাগীয় প্রধান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, বর্ধমান গোলাপবাগ বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক স্বাধীন ঝা, সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, দেওয়ানহাট মহাবিদ্যালয় প্রমুখ। পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের মধ্যে নতুন করে বিদ্যায়তিনক যোগসূত্র স্থাপন হওয়ায় দুই রাজ্যের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সর্বস্তরের মানুষ খুশি। ‘বাংলা সাহিত্য সভা, অসম’-এর বিভিন্ন শাখার পক্ষ থেকে ড. চক্রবর্তীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ড. চক্রবর্তী “ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের গতিশীল শিক্ষাদর্শন, রূপকল্প, নীতি ও আদর্শ” বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করবেন।



