বরাক তরঙ্গ, ৩ জুলাই : প্রাথমিক শিক্ষক সম্মিলনীর সোনাই শিক্ষাখণ্ডের কমিটির সভা পরিকল্পিত ভাবে পঙ্গু করা হল। সম্মিলনীর সদস্য নয় এমন শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে সভায় হুলস্থুল সৃষ্টি করে শিক্ষক সমাজের বদনাম সহ নয়া কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়া হয়। এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেন প্রাথমিক শিক্ষক সম্মিলনীর সোনাই শিক্ষাখণ্ড কমিটির কমকর্তারা। বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক ডেকে পুরো ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন সম্মিলনীর সোনাই কমিটির সদ্য প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মজুমদার ও সভাপতি শিবেন্দ্র চন্দ্র দাস। মজুমদার জানান, মঙ্গলবার সোনাবাড়িঘাট এমভি স্কুলে অনুষ্ঠিত দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় পরিকল্পিত ভাবে বাইরের কয়েকজন শিক্ষক এনে উত্তেজনার সৃষ্টি করা হয়। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করে দ্বি-বার্ষিক সভা ও নয়া কমিটি গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মজুমদার জানান, এর আগে কয়েকটি সভা ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ক্লাস্টার ভিত্তিক শিক্ষকদের চাঁদা ও প্রতিনিধি ফি দেওয়ার কথা জানানো হয়। ৩১টি ক্লাস্টারের মধ্যে পাঁচটি ক্লাস্টারকে বারবার জানানোর পরও কোনকিছু জমা দেয়নি। ২৬ জুন এক সভায় সংবিধান মতে এই পাঁচটি ক্লাস্টারকে বাদ দেওয়া হয়। মঙ্গলবারের সভায় ওইসব শিক্ষক এসে ইচ্ছাকৃতভাবে হুলস্থুল সৃষ্টি করেন। তাঁদের এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষক সমাজ লজ্জিত। তিনি তীব্র ভাষায় নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মঙ্গলবার সোনাবাড়িঘাট এমভি স্কুলে শিক্ষক সম্মিলনীর সোনাই শিক্ষাখণ্ডের নতুন ব্লক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই সভায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। শিলচর মহকুমা কমিটির তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সভায় মহকুমা কমিটির সম্পাদক ফয়জুর রহমান বড়ভূইয়া, সুদীপ দে-সহ বিভিন্ন ব্লকের পদাধিকারীরাও উপস্থিত ছিলেন। সভায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে নতুন ব্লক কমিটি গঠন ছাড়াই সভার সমাপ্তি ঘটে। এ দিন সভার শুরুতেই মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিদায়ী ব্লক কমিটির সভাপতি শিবেন্দ্র দাস, সম্পাদক আজমল হোসেন মজুমদার-সহ অন্যান্য পদাধিকারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন।



