৩০ আগস্ট : নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এখন পর্যন্ত নেপালে প্রায় ৭০০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ। রবিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্গত বিভিন্ন এলাকায় প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এরই মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভোতে-কোশি নদীর পানি। সময়ের সঙ্গে নদীর জলস্তর ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য বন্যার আশঙ্কায় নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। হিমবাহ ধসের ঘটনায় নেপালেই এখন পর্যন্ত ৭০০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় মরদেহ সৎকারের আগে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই চলছে ব্যাপক তল্লাশি। এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
এদিকে, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টানেলে আটকে পড়া বিপুল সংখ্যক মানুষকে উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে নেপাল সরকার। দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, তিব্বতেও ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। সেখানে এখনও সাড়ে পাঁচশোর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে দুই দেশেই উদ্ধারকাজ আরও জোরদার করা হয়েছে।



