‘মন কি বাত’-এ বর্জ্য থেকে পরিচ্ছন্ন শক্তির বার্তা, অনুপ্রাণিত মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ৩০ আগস্ট: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’ শুনে পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্ন শক্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে অনুপ্রাণিত হলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল। রবিবার বাওখুংরি বিধানসভা কেন্দ্রের বিপিএফ বিধায়ক রূপম রায়-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন।

এদিন ‘মন কি বাত’-এ দেশের উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা, জনসচেতনতা ও আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষভাবে গবাদি পশুর বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে বায়োগ্যাস উৎপাদনের বিষয়টি উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, সাধারণভাবে যে বর্জ্যকে আমরা অব্যবহারযোগ্য বলে মনে করি, আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সেটিকেই মূল্যবান সম্পদে পরিণত করা সম্ভব। গবাদি পশুর বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন শুধু পরিবেশবান্ধব শক্তির বিকল্প তৈরি করবে না, এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিও শক্তিশালী হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, বায়োগ্যাসের ব্যবহার বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একইসঙ্গে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কৃষ্ণেন্দু পাল আরও বলেন, ‘‘বর্জ্যকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সম্পদ হিসেবে দেখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।’’ তাঁর মতে, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও জৈব বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের উদ্যোগ চক্রাকার অর্থনীতি গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি জানান, পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনসচেতনতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাও প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *