২৩ জুন: বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় দুই ঘণ্টার দীর্ঘ বিরতি। ফলে চার ঘণ্টা ধরে চলা নাটকীয় ম্যাচে শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪তম মিনিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
তবে বিরতির পরপরই বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রতিকূল আবহাওয়া। বজ্রপাতের আশঙ্কায় প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে পুনরায় মাঠে গড়ায় ম্যাচ।
খেলা শুরু হতেই আবারও নিজের জাত চিনিয়ে দেন এমবাপ্পে। ৫৪তম মিনিটে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে আসেন তিনি। বর্তমানে এমবাপ্পে ও জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজার গোল সংখ্যা সমান ১৬। তাদের ওপরে ১৮ গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন Lionel Messi।
দ্বিতীয় গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষ ইরাককে চাপে ফেলে দেয় দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। ম্যাচের শেষ দিকে উসমান দেম্বেলে তৃতীয় গোলটি করলে ৩-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফরাসিরা।
এই জয়ে দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপ থেকে আগেভাগেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, দলের তারকা এমবাপ্পের পাশাপাশি রেকর্ডের খাতায় নাম তুলেছেন ফ্রান্সের কোচ Didier Deschamps। ইরাকের বিপক্ষে এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডে স্পর্শ করেছেন তিনি। বর্তমানে ১৬ জয় নিয়ে জার্মানির সাবেক কোচ Helmut Schön-এর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন দেশম। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে জয় পেলে ১৭তম জয় নিয়ে এককভাবে এই রেকর্ডের মালিক হবেন তিনি।



