৫ নভেম্বর : স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এর পরেই থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। তবে, আত্মসমর্পণ করার আগেই শাশুড়িকে ফোন করেন ওই যুবক। স্ত্রীকে খুন করার কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি। কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুর জেলার ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম পদ্মা (৩০)। তাঁকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী চন্দ্রের বিরুদ্ধে। এই খুনের ঘটনা ঘটেছে চিক্কাবল্লাপুরের (Chikkaballapur) তাতাহাল্লি গ্রামে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পদ্মার গলা কেটে খুন করে গৌরীবিদানুর (Gauribidanur) গ্রামীণ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন চন্দ্র।

জানা গিয়েছে, পদ্মার বাড়ি গৌরীবিদানুর এলাকায়। তাতাহাল্লি গ্রামে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে চলে যান তাঁর স্বামীও। তাঁর সঙ্গে বিশেষ দরকার আছে বলে পদ্মাকে সেখান থেকে নিয়ে আসেন চন্দ্র। এর পরেই তাতাহাল্লি গ্রামের বাইরে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলা কেটে খুন করেন তিনি।
স্ত্রীকে খুনের পরে সেখান থেকেই শাশুড়ি নরসম্মাকে ফোন করেন চন্দ্র। বলেন, ‘আপনার মেয়েকে খুন করেছি’। এর পরেই ফোন কেটে দিয়ে থানায় চলে যান তিনি।

বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রের মুখ থেকে সব শোনার পরে তাঁকে নিয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে পদ্মার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে চন্দ্রর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর শাশুড়ি।




