বিশ্বজিৎ আচার্য, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ২৫ জুলাই : প্রথমবারের মতো বরাক উপত্যকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে সীমান্ত চেতনা মঞ্চ পূর্বোত্তরের অসম রাজ্য বার্ষিক অধিবেশন। শিলচরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি)-তে শনিবার শুরু হওয়া দুই দিনের এই অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘সুরক্ষা, স্বাবলম্বন ও একতা’। অধিবেশনে সীমান্তবর্তী এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও শারীরিক প্রশিক্ষণ, সীমান্ত অঞ্চলে গবেষণার প্রসার, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ় করা এবং ভারত-ভুটান ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি স্মরণিকাও প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুচরণ (জি.সি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায়, এনআইটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিহারেন্দু ধর, সীমা জাগরণ মঞ্চের অখিল ভারতীয় সংরক্ষক এ. গোপালকৃষ্ণন, কাছাড় জেলা সমিতির সভাপতি দেবতোষ চক্রবর্তীসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেবতোষ চক্রবর্তী বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্য থেকে ২০ কিলোমিটার এলাকার উন্নয়ন সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কর্মসংস্থানের অভাবে যুবসমাজের বাইরে চলে যাওয়ার প্রবণতা রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় মান বজায় রেখে ক্রীড়া মহোৎসবেরও আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি কাছাড় জেলার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কার্যকলাপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

অন্যদিকে, ড. বিনীতা ভগবতী বলেন, ভুটান সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে চীনের নৈকট্যের কারণে নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এছাড়া হাতির উপদ্রবে সীমান্তবর্তী পাঁচটি জেলার বহু গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সীমান্তবাসীর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।



