দিল্লির লালকেল্লা, সচিবালয় ও দুই স্কুলে বোমাতঙ্ক; তল্লাশিতে মিলল না বিস্ফোরক, ভুয়ো হুমকি বলে জানাল পুলিশ

Spread the news

১১ জুলাই: দিল্লির লালকেল্লা, দিল্লি সচিবালয় এবং রাজধানীর দুটি স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ফোনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। শনিবার ভোরে মুম্বই পুলিশের কন্ট্রোল রুমে এই হুমকির ফোন আসে। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে দিল্লি পুলিশকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পর কোথাও কোনও বোমা বা সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার হয়নি। দিল্লি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি ভুয়ো হুমকি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফোনকারী দাবি করেছিল যে লালকেল্লা ও দিল্লি সচিবালয়ে বিস্ফোরক রাখা হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লালকেল্লা চত্বরে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। স্নিফার ডগ ও বম্ব স্কোয়াডের সহায়তায় গোটা এলাকা তল্লাশি চালানো হয়। একইভাবে দিল্লি সচিবালয়েও নিরাপত্তা বাহিনী, দমকল এবং বম্ব স্কোয়াড পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
এদিকে, রাজধানীর দুটি স্কুলেও ই-মেলের মাধ্যমে বোমা হামলার হুমকি পাঠানো হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দিলে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তবে সেখানেও কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, গত বছরের দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন গাড়িবোমা বিস্ফোরণ মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) বিশেষ আদালতে ফরেন্সিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ এনআইএ আদালতে রিপোর্ট দাখিলের পাশাপাশি মামলায় গ্রেপ্তার ৯ অভিযুক্তের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ ১৩ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ মে এই মামলায় প্রায় ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল এনআইএ। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়িতে শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং বহু মানুষ আহত হন। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মূল অভিযুক্ত ডা. উমর উন নবী বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন এবং বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *