১৯ সেপ্টেম্বর : নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার জেরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। আম আদমি পার্টির (AAP) পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম দিল্লির ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বা উধাও হয়ে গেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের নাম তালিকা থেকে মোটেও বাদ যায়নি, বরং আগের এসআইআর তালিকার সঙ্গে নিজেদের ম্যাপিং বা সংযোগ না করার কারণেই নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই সংশোধনীর পর আগামী ৪ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে।
আপ-এর অফিসিয়াল এক্স (X) হ্যান্ডলে ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্ট করা হয়, “কীভাবে সম্ভব যে তিনবারের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালজি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামই দিল্লির ভোটার তালিকা থেকে নিখোঁজ?” নতুন দিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের খসড়া তালিকায় কেজরিওয়ালের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়াল, পিতা গোবিন্দ রাম কেজরিওয়াল, মাতা গীতা দেবী এবং পুত্র পুলকিতের নাম নোটিশের আওতায় এসেছে। অথচ গত বছরের বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁরা সকলেই ভোট দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নামও শালিমার বাগ বিধানসভা কেন্দ্রের নোটিশ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁর ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম দেখানো হয়েছিল। তবে শালিমার বাগের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার জানিয়েছেন যে, তথ্য যাচাইয়ের পর তাঁর নাম চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩১ লক্ষেরও বেশি ভোটারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এর আগে খসড়া ভোটার তালিকায় মোট ৯৭.৫ লক্ষ নাম রয়েছে। স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হওয়া, অনুপস্থিতি, মৃত্যু বা একাধিক স্থানে নাম থাকার মতো বিভিন্ন কারণে প্রায় সাড়ে সাতচল্লিশ লক্ষ (মোট ভোটারের প্রায় এক তৃতীয়াংশ) নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
খবর : উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল।



