রূপক চক্রবর্তী, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ১০ সেপ্টেম্বর : পুর নিগম নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে শিলচর জেলা কংগ্রেস ভবনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। টিকিট থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে একাংশ বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মী জেলা কংগ্রেস সভাপতি সজল আচার্যের চেম্বারে ঢুকে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ। এমনকি সভাপতির চেয়ারও চেম্বার থেকে বাইরে এনে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলীয় অন্দরে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, শিলচর পুর নিগমের ২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য পার্থ দাস আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি, গতকাল দুপুর পর্যন্ত প্রার্থী বাছাইয়ের প্যানেলে পার্থ দাসের নাম ছিল। কিন্তু রাতারাতি ওই ওয়ার্ডে মহিলা প্রার্থী হিসেবে সুস্মিতা দাসকে দলীয় টিকিট দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই বিক্ষুব্ধ কর্মীরা জেলা কংগ্রেস ভবনে বিক্ষোভ দেখান।

অভিযোগ, বিক্ষোভের একপর্যায়ে তাঁরা জেলা কংগ্রেস সভাপতি সজল আচার্যের চেম্বারে ঢুকে ভাঙচুর করেন। সেখানে উপস্থিত প্রাক্তন বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্করকেও ঘেরাও করে জবাবদিহি দাবি করেন বিক্ষুব্ধরা।
পার্থ দাসের অভিযোগ, জেলা কংগ্রেস সভাপতি সজল আচার্য, শিলচর শহর কংগ্রেস সভাপতি অতনু ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্করের কারণে তিনি দলীয় টিকিট থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনকি অর্থের বিনিময়ে টিকিট বণ্টন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এদিন বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মীরা সজল আচার্য, অতনু ভট্টাচার্য ও মিসবাহুল ইসলাম লস্করের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁদের বিক্ষোভে কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জেলা কংগ্রেস ভবন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এল বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে টিকিট বণ্টন নিয়ে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।




