হাইলাকান্দিতে কিশোরীদের জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে টিকা করনের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Spread the news

জনসংযোগ,হাইলাকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১৫ মে : হাইলাকান্দিতে ১৪ বছর থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের এইচপিভি টিকাকরণ সংক্রান্ত একটি উচ্চ-স্তরের পর্যালোচনা বৈঠক জেলা টাস্ক ফোর্স কমিটির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিসি কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এডিসি (স্বাস্থ্য) হৃষিকেশ বরুয়া (এসিএস)। বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল কিশোরীদের জরায়ু মুখ ক্যান্সার থেকে রক্ষা করার জন্য চলমান জাতীয় এইচপিভি টিকাকরণ কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

উল্লেখ্য, জরায়ু মুখ ক্যান্সার বর্তমানে ভারতে মহিলাদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান সাধারণ ক্যান্সার। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো সেই সমস্ত মেয়েদের বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা যাদের বয়স ১৪ বছর পূর্ণ হয়েছে কিন্তু ১৫ বছরে পৌঁছায়নি। পর্যালোচনাকালে এডিসি (স্বাস্থ্য) উচ্চ কভারেজ নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্কতা ব্যক্ত করেন। কারণ এটি অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়। তিনি স্বাস্থ্য বিভাগকে নির্দেশ দেন যাতে কাজের গতি স্তিমিত না হয় এবং প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করা হয়।

এছাড়াও তিনি শিক্ষা বিভাগকে অভিভাবক-শিক্ষক সভার আয়োজন করার নির্দেশ দেন যাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা যায় এবং টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়ে ছড়ানো যেকোনও নেতিবাচক বার্তা বা গুজব দমন করা যায়। বৈঠকে প্রধান সিদ্ধান্তের মধ্যে স্কুল মোবিলাইজেশন এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশাকর্মীরা টিকাকরণ নিয়ে দ্বিধা দূর করতে কমিউনিটি মিটিং করবেন বলে জানানো হয়। এতে সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন মেডিক্যাল অফিসারের তত্ত্বাবধানে একক ডোজের টিকা (গার্ডাসিল) বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। জেলায় এইচপিভি টিকাকরণের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫৯৬ জন, যার মধ্যে ২০২৬ সালের ১৪ই মে পর্যন্ত ১৬১৪ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এই বৈঠকে ডাঃ কেটিএস রংমেই (ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম পরিচালক, ডিএইচএস), ডাঃ দেবব্রত দত্ত (সুপারিনটেনডেন্ট, এস.কে রায় সিএইচ), মারুফ আলম বড়ভুইয়া (ডিপিএম, এনএইচএম), মনিকা দাস (ডিএমই, এনএইচএম) সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বেশ কয়েকজন জেলা ও ব্লক কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিভাগ ও এনজিও-র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *