পয়লাপুল নবোদয় কাণ্ড : উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে এআইডিএসও-র স্মারকপত্র

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ১৩ মার্চ : কাছাড় জেলার লক্ষীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পয়লাপুল জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র অরিন্দম দাসের রহস্যজনক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এআইডিএসও-র কাছাড় জেলা কমিটি। গত ১১ মার্চ সকালে বিদ্যালয়ের হোস্টেলের বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবিতে শুক্রবার এআইডিএসও-র একটি প্রতিনিধি দল কাছাড়ের জেলা আয়ুক্তের কাছে একটি স্মারকপত্র জমা দেয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রটির পকেট থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে তিন সহপাঠীর নাম উল্লেখ থাকার পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে সিনিয়র ছাত্রদের র‍্যাগিং ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ফলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে দাবি জানায় সংগঠনটি।

স্মারকপত্রে ছাত্রের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তে র‍্যাগিং বা মানসিক নির্যাতনের প্রমাণ মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া আবাসিক বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কঠোর অ্যান্টি-র‍্যাগিং ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও আবেদন করা হয়েছে। এআইডিএসও নেতৃবৃন্দ বলেন, “অরিন্দম দাসের মতো এক মেধাবী ছাত্রের অকাল মৃত্যু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। আমরা চাই প্রশাসন অবিলম্বে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করুক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনও ছাত্রকে এমন চরম পরিণতির মুখে পড়তে না হয়।” তদন্তে যাতে কোনও ধরনের গাফিলতি না হয়, সেজন্য প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছে এআইডিএসও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *