‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চাই, ব্যস, আর কোনও চুক্তি নয়’, ইরানকে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Spread the news

৬ মার্চ : যুদ্ধের সপ্তম দিন। ইরান ও ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন। তা সত্ত্বেও ফিকে হচ্ছে না বারুদের গন্ধ। এই আবহে ইরানের উদ্দেশে আরও কড়া বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, আর কোনও চুক্তি হবে না। ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করলেই কথা বলতে রাজি হবেন তিনি।

আজ শুক্রবার ট্রুথ সমাজমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে, কোনও কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার আগেই। যদি একজন সঠিক ও গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচিত হন, তবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও এবং অন্যান্য দেশগুলি মিলিত হয়ে ইরানকে ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ইরানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে এবং দেশটিকে আবার শক্তিশালী করতে একযোগে কাজ করা হবে।’

ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গঠনেও ভূমিকা পালন করতে চান তিনি। ঠিক যেভাবে ভেনেজুয়েলার নেতা নির্বাচন করেছেন, সেভাবেই ইরানের যোগ্য খুঁজতে চান তিনি।

এর আগে গত ৩ মার্চ ইরানের উদ্দেশে আরও একটি স্পষ্ট কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। আমেরিকা-ইজরায়েল জোট এবং তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ পশ্চিম এশীয় অঞ্চলকে গ্রাস করে নিয়েছে। এর মধ্যে ফের ইরান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে কথা বলতে চেয়েছিল ইরান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আমেরিকা-ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-সহ বেশ কিছু শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে শত শত সাধারণ মানুষের।

নিজের সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি সম্পাদকীয়র উত্তরে ট্রাম্প লিখেছিলেন, “তাদের বিমান প্রতিরক্ষা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী এবং নেতৃত্ব চলে গেছে। তারা কথা বলতে চায়। আমি বললাম, “খুব দেরি হয়ে গিয়েছে!”

আটলান্টিক ম্যাগাজিনের একটি সাক্ষাৎকারে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, রবিবার ইরানের নতুন নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন এবং তিনি তাতে রাজি হয়েছেন। তারপরেই ট্রাম্পের এই আচমকা ইউ-টার্ন। সেই সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, “তাঁরা কথা বলতে চান, আর আমি কথা বলতে রাজি হয়েছি, আমি তাঁদের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের এটা আরও আগেই করা উচিত ছিল। তাঁদের উচিত ছিল যা খুবই বাস্তবসম্মত এবং সহজে করা যায় তা আরও আগেই দেওয়া। তাঁরা অনেক দেরি করে ফেলেছেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *