জনসংযোগ, হাইলাকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১২ জানুয়ারি : হাইলাকান্দি জেলার ১২৯ জন ছাত্রছাত্রীকে স্কুটি, ৫৬ জন ছাত্রছাত্রীকে ট্যাবলেট পিসি বণ্টনের সূচনা করেন সাংসদ কৃপানাথ মালা। সোমবার হাইলাকান্দির এসএস কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাশাপাশি১৮ জন কৃতী আশাকর্মীকে সংবর্ধনা এবং ৮ জন অবসরপ্রাপ্ত আশা কর্মীকে ২ লক্ষ টাকার এককালীন অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়ে সাংসদ মালা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে পড়ুয়াদের বিনামূল্যে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা কল্যাণমূলক প্রকল্প নেওয়ার ফলে রাজ্য দেশের শীর্ষ কয়েকটি রাজ্যের মধ্যে একটি হিসেবে এগিয়ে চলেছে। সভায় ভাষণ দিয়ে জেলা কমিশনার অভিষেক জৈন মুখ্যমন্ত্রীর ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে হাইলাকান্দি জেলাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান। সভায স্বাগত ভাষণে এসএস কলেজের অধ্যক্ষ রতনকুমার জানান, ২০২৪ সালে জেলায় ৭৫৪ জন হায়ার সেকেন্ডারি উত্তীর্ণ পড়ুয়া প্রজ্ঞান ভারতী প্রকল্পের অধীনে বাণিকান্ত কাকতি পুরস্কারের জন্য স্কুটি পেলেও এ বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে ১২৯জন স্কুটি পেয়েছেন। পুরস্কার পাওয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ হলো ২০২৫ সালে যারা নিযুত মইনা প্রকল্পের জন্য মনোনীত হয়েছেন তাদের আশি শতাংশ নম্বর থাকলেও স্কুটি দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ যারা স্কুটি পেয়েছেন তাদেরকে নিযুত মইনা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

উল্লেখ্য, নিযুত মইনা প্রকল্পে হায়ার সেকেন্ডারি পর্যায় ১ হাজার টাকা করে স্নাতক পর্যায়ে ১২৫০ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায় আড়াই হাজার টাকা করে মাসে দেওয়া হচ্ছে। সভায় আরো জানানো হয় স্নাতক প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রদের জন্য নিযুত বাবু নামক একটি প্রকল্প শীঘ্রই চালু করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচের ছাত্র এবং যাদের অভিভাবকের আয় বছরে চার লক্ষের নিচে তারাই এই প্রকল্পের জন্য মনোনীত হবেন বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানের ১০ জন ছাত্রছাত্রীকে স্কুটি ১০ জনকে ট্যাবলেট পিসি, ৫ জন আশা কর্মীকে সংবর্ধনা এবং আরো পাঁচজন অবসরপ্রাপ্ত আশা কর্মীকে তাদের অবসরকালীন এককালীন ভাতা হিসাবে ২ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

এ দিকে, জেলায় মোট সংবর্ধনা প্রাপ্ত ১৮ জন কৃতী আশা কর্মীকে প্রশংসা সূচক সার্টিফিকেট, মোমেন্টো এবং এককালীন ১৫০০ টাকার চেক দেওয়া হবে । অবসরপ্রাপ্ত ৮ জন আশা কর্মীকে ২ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিজেপি নেত্রী মুন স্বর্ণকার প্রাসঙ্গিক বক্তব্য পেশ করেন এবং পুরসভার চেয়ারম্যান মানব চক্রবর্তী সভায় উপস্থিত ছিলেন।



