লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার জন্মবার্ষিকী পালন এআইডিএসও-র, নগাঁওয়ে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ২৯ অক্টোবর : অসমিয়া সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (এআইডিএসও)-এর আসাম রাজ্য কাউন্সিলের উদ্যোগে নগাঁও শহরের সাহিত্য সভা ভবনে এক সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন এআইডিএসও-র রাজ্য কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তথা নগাঁও জেলা সাংগঠনিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত হিমাশ্রী শর্মা। এতে আনন্দরাম ঢেকিয়াল ফুকন কলেজ, নগাঁও গার্লস কলেজ, নগাঁও ল’ কলেজ এবং খাগরিজান কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা ড. অর্চনা তালুকদার এবং এআইডিএসও-র আসাম রাজ্য কাউন্সিলের সম্পাদক হেমন্ত পেগু। বক্তারা অসমিয়া ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে তাঁর ছোটগল্পের বিভিন্ন চরিত্র ও আখ্যানের উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, তৎকালীন সমাজে সামাজিক সংস্কার ও সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেজবরুয়ার সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
বক্তারা বর্তমান সময়েও উন্নতমানের সাহিত্যচর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া এবং জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালের মতো মনীষীদের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজের অগ্রগতির পথ আরও সুগম হবে। পাশাপাশি তাঁদের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক চেতনার ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের মধ্যে উচ্চমানের সাহিত্য সৃষ্টির পরিবেশ গড়ে উঠবে।

বক্তারা আরও বলেন, সমাজ ও সময়ের পরিবর্তন সত্ত্বেও লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিকতা আজও অমলিন। তাঁর রচনাবলি থেকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া রচিত অসমের জাতীয় সংগীত ‘অ’ মোর আপোন দেশ’-এর সম্মিলিত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *