২৬ সেপ্টেম্বর : যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল ও সুলাইমানিয়াহ বিমানবন্দরে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট ও গ্রাউন্ড সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাব আরও চাপে ফেলেছে বাগদাদকে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন ইরানপন্থি ইরাকি রাজনীতিকরা। তবে তাদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি সরকার। মার্কিন চাপ উপেক্ষা করলে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি, আর ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে ইরাকের।
ইরাকের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি তেল। দেশটির সরকারি আয়ের প্রায় ৮৮ শতাংশ তেল খাত থেকে আসে। কিন্তু আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় তেল পরিবহনেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
ইরানের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধের পাশাপাশি তেল রপ্তানিতে বাধা ও জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি ইরাকের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ—দুই চাপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়েছে বাগদাদের জন্য।



