বরাক তরঙ্গ, ২৪ সেপ্টেম্বর : মহর্ষি সান্দীপনি বেদ বিদ্যা প্রতিষ্ঠান, উজ্জয়িনীর সহযোগিতায় গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়, শিলচরের সংস্কৃত বিভাগে সাত দিনব্যাপী ‘বেদ জ্ঞান সপ্তাহ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৈদিক জ্ঞান ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও শিক্ষকদের বৈদিক সাহিত্যের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানের সূচনায় বৈদিক জ্ঞান ও ঐতিহ্যের গুরুত্ব তুলে ধরতে একটি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন রায়, প্রধান অতিথি ড. শঙ্কর ভট্টাচার্য, প্রধান বক্তা অধ্যাপক ড. শান্তি পোখরেল, একাডেমিক রেজিস্ট্রার ড. অভিজিৎ নাথ, সংস্কৃত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সন্ধানী নাথ-সহ বিশিষ্ট শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্রছাত্রীরা।
অনুষ্ঠানে বৈদিক মঙ্গলাচরণ পাঠ করেন অধ্যাপক ড. কেশব লুইটেল। স্বাগত সংগীত পরিবেশন করেন সংস্কৃত বিভাগের ছাত্রী অনীশা দত্ত। বিভাগীয় প্রধান ড. সন্ধানী নাথ স্বাগত ভাষণে অনুষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সমন্বয়ক ড. কেশব লুইটেল বৈদিক জ্ঞান সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
প্রধান অতিথি ড. শঙ্কর ভট্টাচার্য ‘Introduction to Vedic Literature: Saṃhitā, Brāhmaṇa, Āraṇyaka and Upaniṣad’ শীর্ষক বক্তৃতায় বৈদিক সাহিত্যের চারটি প্রধান অংশ—সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক ও উপনিষদ—সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধান বক্তা অধ্যাপক ড. শান্তি পোখরেল ‘The Saṃhitās: Vedic Mantras, Hymns and Their Significance’ বিষয়ক বক্তব্যে বৈদিক মন্ত্র, সূক্ত এবং তাদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক তাৎপর্য তুলে ধরেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন রায়ও বৈদিক জ্ঞান অধ্যয়নের গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথি অধ্যাপক ড. ভৃগু রাজখোয়া ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পবিত্র কল্যাণ মন্ত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।



