আব্দুল হক ও নিপ্পু লস্কর, সোনাই।
বরাক তরঙ্গ, ২৬ আগস্ট : দীর্ঘ বছর থেকে টিলা ভূমির উপর ঝুলে রয়েছে বিদ্যলয়। মরণঝুঁকি নিয়ে শিশু ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়টিতে পড়াশোনা করছে। কিন্তু যেকোন মুহূর্তে টিলাভূমি ধসে শতাধিক শিশু ছাত্রদের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটতে এমন আশঙ্কা নিয়ে অভিভাবকরা আতঙ্কিত।ঘটনাটি আউলিয়া টিলা মানবসেবা এলপি স্কুলের। আতঙ্কগ্রস্ত অভিভাবকরা মরণফাঁদে পরিণত স্কুল নিয়ে সোনাইর বিধায়ক আমিনুল হক লস্করের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বুধবার বিধায়ক আমিনুল হক বিভাগীয় ডিআই সহ সর্ব শিক্ষা মিশনের ইঞ্জিনিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলটি পরিদর্শন করেন। মরণফাঁদে পরিণত স্কুলটির বাস্তব পরিস্থিতি দেখে আতকে উঠেন বিধায়ক সহ বিভাগীয়রা।
স্কুল পরিচালন কমিটির আয়োজিত সভায় বিধায়ক আমিনুল বলেন, বিদ্যলয়, মন্দির-মসজিদ থেকে পবিত্র।এখানে আতঙ্ক মনে পড়াশোনা করবে তা মানা যায় না। তাই শিশুদের রক্ষায় স্থানীয় পঞ্চায়েতের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আশপাশ এলাকা থেকে জমিমালিকরা মাটি বিক্রি করার ফলে স্কুলটি ৪০ ফুট উপরে ঝুলে থাকার কারণে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।শিশুদের রক্ষায় একজোট হয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মাটি সরিয়ে স্কুলটি পুনর্গঠন দায়িত্ব নিবে শিক্ষা বিভাগ।আর বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ডিএমএফটি তহবিল থেকে দশ লক্ষ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেন। সভায় শিক্ষা বিভাগের ডিআই ইকবাল হোসেন বড়ভূইয়া বলেন ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় শিশুদের পড়াশোনা সম্ভব নয়। তাই অতিসত্বর অস্থায়ী ভাবে অন্যত্র পড়াশুনার ব্যবস্থা নিতে স্থানীয়দের পরামর্শ দেন।তিনি বলেন স্কুলটি ঝুকিপূর্ণ পরিস্থিতি বিষয়ে জেলা কমিশনার অবগত রয়েছেন। তাই খুব শীঘ্রই মাটি সরিয়ে স্কুলটি পুনর্গঠন করার দায়িত্ব নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। এরপর বিধায়ক তারই প্রচেষ্টায় গড়ে উঠা স্থানীয় শিবমন্দির পরিদর্শন করেন। মন্দিরের উন্নয়নে এক লক্ষ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেন বিধায়ক। সভায় বক্তব্য রাখেন শিপ্পন মজুমদার, প্রাক্তন জিপি সভাপতি মছব্বির আলি লস্কর, গ্রুপ সদস্য রতন দাস। উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় অ্যাকাউন্টেন্ট আব্দুল হক বড়ভূইয়া, ইঞ্জিনিয়ার বিক্রমজিত নাথ সহ অন্যান্যরা।



