২৩ আগস্ট : রহস্যমৃত্যু একই পরিবারের তিন বোনের। তাদের মধ্যে এক জনের বয়স মাত্র ৯ মাস। ‘বেগুন ভর্তা’ খাওয়ার পরেই ওই তিন বোনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর এলাকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। কী কারণে খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়েছে তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনা ঘটেছে ছাতারপুরের ইশানগর থানার পিপোরা খুর্দ ( Pipora Khurd)। মৃতদের নাম পুনম (৭), মণীষা (৩) এবং ৯ মাসের চাহাত। বালমুকুন্দ খুশওয়ার এই তিন মেয়েই আগের রাতে রুটির সঙ্গে বেগুন ভর্তা খেয়েছিল বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
জানা গিয়েছে, এর পরেই পুলিশকে না জানিয়েছে এবং ময়নাতদন্ত না করেই ওই তিন জনের দেহ পুঁতে দেওয়া হয়। এই কথা জানার পরেই শনিবার দেহগুলি তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
ওই এলাকার পুলিশ সুপার অরুণ সোনি জানিয়েছেন, কী কারণে এই তিন জনের মৃত্যু হয় তা জানার জন্য দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি তাদের ফরেন্সিক পরীক্ষা করাও হচ্ছে। ওই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক খবর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যেখানে তিন জনের দেহ পুঁতে দেওয়া হয়, সেই জায়গাটিও পরিদর্শন করেছেন পুলিশ আধিকারিক এবং চিকিৎসকরা।
খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ অনেকেরই। জানা গিয়েছে, রাতে রুটি এবং বেগুন ভর্তা খাওয়ার পরে তিনজনের বমি-পায়খানা হয়। শনিবার সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসার পরে দু’জনের মৃত্যু হয়। তবে ন’মাসের মেয়েটির মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। ছাতারপুরে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আরপি গুপ্তা জানিয়েছেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে ওই তিন জনের মৃত্যু হয়েছে কি না তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই এই নিয়ে জানা যাবে।
এই নিয়ে পরিবারের সদস্যদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্য কেউ এই রুটি এবং বেগুন ভর্তা খেয়েছিলেন কি না তাও জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা।



