আপডেট
বরাক তরঙ্গ, ৮ আগস্ট : নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দু’দিনের মাথায় এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধলাইয়ে। মৃত তপতী চক্রবর্তীর (৩৯) মোবাইল ফোনের কল হিস্ট্রিতে প্রধান শিক্ষক ও অন্য এক ব্যক্তির নম্বর পাওয়া গেছে এবং তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথোপকথনের তথ্য রয়েছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই প্রধান শিক্ষক-সহ ওই ব্যক্তিদের নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মৃতের স্বামী রবীন্দ্র চক্রবর্তী। তিনি স্ত্রীর নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় ভূবনধর ফরেস্ট ভিলেজ এলপি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মৃদুলকান্তি দাস-সহ আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধলাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তপতী। রাত প্রায় একটার দিকে তাঁর স্বামীর ঘুম ভাঙলে তিনি দেখতে পান ঘরের দরজা খোলা। ঘরে তপতীকে না পেয়ে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। রাতভর এবং পরদিন বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চালিয়েও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। পরে ৭ আগস্ট ধলাই থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর স্বামী।
শনিবার সকালে স্থানীয় এক বাসিন্দা পুনিখাল নালায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে ধলাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অফিসার ইনচার্জ সর্বেশ্বর কোঁওরের নেতৃত্বে পুলিশ জীবনগ্রাম জিপির দেবীপুর দ্বিতীয় খণ্ড এলাকার শ্মশানঘাটের কাছাকাছি পুনিখাল নালা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর স্বামী বীরেন্দ্র চক্রবর্তী মৃতদেহটি তপতী চক্রবর্তীর বলে শনাক্ত করেন। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।



